BJP on Sandip Ghosh Bail: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ জামিন পাওয়ায় অনেকে হতাশ হয়েছেন। তা নিয়ে মুখ খুললেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার বঙ্গ বিজেপির সভাপতি জানিয়েছেন যে আরজি কর আন্দোলনের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তাঁরা হতাশ হয়েছেন সন্দীপের জামিনে। তবে আইন তো আবেগের বশে চলে না। জামিনও একজন ব্যক্তির আইনি অধিকার।
'জামিন পেয়েছেন মানেই সন্দীপ ঘোষ নির্দোষ নন'

সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সন্দীপ জামিন পেয়েছেন মানেই এটা নয় যে তিনি নির্দোষ অথবা ওই ঘটনায় তাঁর কোনও যোগ নেই। এটা একটা আইনি অধিকার। জামিনের ক্ষেত্রে আইনি বিষয়ও থাকে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতির কথায়, ‘(সন্দীপ ঘোষ) জামিন পেয়ে গিয়েছেন মানেই এটা বলা যাবে না যে (আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ) নির্দোষ বা অপরাধের সঙ্গে কোনও যোগ নেই। জনমানসের আদালতে এটা প্রমাণিত যে ওঁরা যুক্ত ছিলেন।’
কোন কোন কারণে সন্দীপ ঘোষের জামিন মঞ্জুর?
আর শমীক সেই মন্তব্য করেছেন আরজি কর আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সন্দীপের জামিনের পরে। কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে যাওয়ার পরে সুপ্রিম কোর্ট দ্বারস্থ হয়েছিলেন সন্দীপ। সেটার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তাঁর জামিনের আর্জি মঞ্জুর করা হয়েছে। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি এমএম সুন্দ্রেশ এবং বিচারপতি প্রশান্ত বি বরলের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রায় দু'বছর ধরে জেলে আছেন আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ। বিচারপ্রক্রিয়াও ধীরগতিতে চলছে। তাই তাঁর জামিনের আর্জি মঞ্জুর করা হচ্ছে।
ধর্ষণ ও খুনের মামলায় আগেই জামিন পেয়েছেন সন্দীপ ঘোষ
{{/usCountry}}ধর্ষণ ও খুনের মামলায় আগেই জামিন পেয়েছেন সন্দীপ ঘোষ
{{/usCountry}}এমনিতে ২০২৪ সালের অগস্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পরে সন্দীপের ভূমিকা নিয়ে অসংখ্য প্রশ্ন উঠেছিল। উঠে এসেছিল আর্থিক দুর্নীতির অসংখ্য অভিযোগ। সেই পরিস্থিতিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারইমধ্যে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় জামিন মঞ্জুর করে দিয়েছিল শিয়ালদা আদালত। কারণ নির্ধারিত ৯০ দিনের চার্জশিট পেশ করতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
তবে আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় জেলে কাটাচ্ছিলেন সন্দীপ। রাজ্যে পালাবদলের পরে নয়া বিজেপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দেড় সপ্তাহের মধ্যে দুর্নীতি মামলায় সন্দীপের বিরুদ্ধে মামলা শুরু করার অনুমতি দিয়ে দেন শুভেন্দু অধিকারীরা। তবে যে ১৪৭ জন সাক্ষীর নাম আছে, তাঁদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র সাতজনের সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেন সন্দীপের আইনজীবী।