Mamata on Abhishek ‘Fight’: উঠে দাঁড়িয়ে অভিষেককে সম্মান জানান, ৬৯ বিধায়ককে নির্দেশ মমতার, ছাড় নেই বড়দেরও
Mamata on Abhishek ‘Fight’: উঠে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্মান জানান, ৬৯ বিধায়ককে নির্দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ছাড় নেই বড়দেরও। তারইমধ্যে ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে আজ ১১ জন অনুপস্থিত ছিলেন আজকের বৈঠকে।
তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের পতনের পর থেকেই ঘরে-বাইরে রোষের মুখে পড়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের নেতা-নেত্রীদের কেউ-কেউ সরাসরি অভিষেকের নামে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন, কেউ আবার ঘুরিয়ে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। এমনকী কেউ-কেউ তো ঘনিষ্ঠ মহলে অভিষেকের 'দাম্ভিকতা' ও 'ঔদ্ধ্যত' নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেছেন। তবে অভিষেকের 'লড়াইয়ের' প্রতি আস্থা প্রকাশ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ৬৯ জন নব-নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে মমতা নির্দেশ দেন যে অভিষেক যে 'লড়াই' করেছেন, সেটাকে সম্মান জানাতে সকলে যেন উঠে দাঁড়ান। সেইমতো উপস্থিত বিধায়করা উঠে দাঁড়ান। বাদ যাননি অভিষেকের থেকে বড় বিধায়করাও।

অভিষেকের সমালোচনা করা যাবে না, সাফ কথা মমতার
সার্বিকভাবে অভিষেকের নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন মমতা। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, মমতা নাকি কড়া ভাষায় জানিয়েছেন যে অভিষেকের সমালোচনা করা যাবে না। যদি কেউ সেই কাজটা করেন, তা বরদাস্ত করা হবে। পুরো শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ের দেখভালের জন্য একটি কমিটিও গঠন করে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যে কমিটিতে ভোটে হেরে যাওয়া চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়ান, জিততে না পারা শুভাশিস চক্রবর্তীরা আছেন।
১১ জন বিধায়ক নেই মমতার বৈঠকে
সেইসবের মধ্যেই আজকের বৈঠকে ১১ জন নবনির্বাচিত বিধায়ক (মোট ৮০ জন তৃণমূল বিধায়ক জিতেছেন, হাজির ছিলেন ৬৯ জন) অনুপস্থিত ছিলেন বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর থেকে তৃণমূলের অনেকেই ‘পাল্টি’ খেতে শুরু করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও বিজেপির তরফে আপাতত ‘দলবদলু’ নেতাদের দূরে রাখার কথা বলা হয়েছে।
‘বরখাস্ত করুক’, সাফ কথা মমতার
তারইমধ্যে কালীঘাটের বৈঠকে মমতা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে লোকভবনে গিয়ে ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সূত্রের খবর, মমতা বলেন যে লোকভবনে গিয়ে পদত্যাগ করবেন না তিনি। রাজ্যের রাষ্ট্রপতি শাসন কার্যকর হলে সেটাই হোক। রেকর্ড হয়ে থাকুক সেটা। বরখাস্ত করে দিক। আর সেই দিনটি ইতিহাসে একটি 'কালো দিন' হিসেবে নথিভুক্ত হয়ে থাকুক বলে দাবি করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


