Mamata at Bhowanipore meeting: ভবানীপুরে মমতার সভা ‘টার্গেট করে অসভ্যতামি', সাড়ে ৪ মিনিটেই মঞ্চ ছাড়লেন মমতা
Mamata at Bhowanipore meeting: ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ‘টার্গেট করে অসভ্যতামি', সাড়ে ৪ মিনিটেই মঞ্চ ছাড়লেন মমতা। এই আচরণকে ‘পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া’ বলে অভিহিত করেন তৃণমূলনেত্রী।
Mamata at Bhowanipore meeting: ভবানীপুরে মাইক-সংঘাতের জেরে মাত্র সাড়ে চার মিনিটেই সভামঞ্চ ছেড়ে নেমে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আজ সন্ধ্যায় চক্রবেড়িয়া রোডে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোর জনসভা ছিল। তাঁর জনসভা চলাকালীনই কিছুটা দূরে বিজেপি মাইকিং শুরু করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। শেষপর্যন্ত বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং প্রতিবাদ জানাতে কয়েক মিনিটের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দিয়েই নিজের সভা শেষ করতে বাধ্য হন মুখ্যমন্ত্রী।

ঠিক কী ঘটেছিল চক্রবেড়িয়ায়?
এদিন পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী চক্রবেড়িয়া রোডে জনসভা করছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ ওঠে, সভা শুরু হতেই দেখা যায় যে ঢিল ছোড়া দূরত্বে বিজেপি তাদের প্রচার গাড়ি থেকে জোরালো শব্দে মাইকিং শুরু করেছে। একে অপরের পাল্টাপাল্টি শব্দে বিঘ্নিত হয় তৃণমূলনেত্রীর ভাষণ। এতেই মেজাজ হারান মমতা। তিনি সাফ জানান, নির্বাচনের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে এবং সেই নিয়ম লঙ্ঘন করা হচ্ছে।
মঞ্চ থেকেই পুলিশকে ফোন ও তোপ
এই আচরণকে ‘পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া’ বলে অভিহিত করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি মঞ্চ থেকেই উষ্মা প্রকাশ করে বলেন, ‘কেন করবে এটা? ইলেকশনের কতগুলো রুলস আছে। তা হলে ওরাও যেদিন মিটিং করবে তোমরাও পাল্টা লাগিয়ে দেবে। তখন পুলিশ তুলতে আসলে, মেয়েদের ধরে এফআইআর করবে। এটা পার্শিয়ালিটি।’ পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, মমতা মঞ্চ থেকেই কাউকে একজনকে ফোন করেন এবং ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।
বিজেপির বিরুদ্ধে ‘দখলদারি’র অভিযোগ
মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, তিনি নিয়ম মেনে সমস্ত অফিসিয়াল পারমিশন (অনুমতি) নিয়ে এই সভা করছেন। তা সত্ত্বেও বিজেপি যেভাবে বাধা দিচ্ছে, তা কার্যত ‘হিউমিলেশন’ বা অপমানজনক। তিনি বলেন, ‘ওরা পশ্চিমবঙ্গকে দখল করতে জোর করে যা করছে, তা ঠিক নয়। ওরা যদি এটা আমার কেন্দ্রে করতে পারে... আমি এক মাস এখানে ছিলাম না। আমি রাজ্যে ঘুরছিলাম ২০০ আসনের জন্য। আপনারা যদি এমন আচরণ করেন, তা হলে আমি দুঃখিত।’
আরও পড়ুন: Weather Update: ভোট শেষের আগেই আবহাওয়া পাল্টি! দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর খেলা শুরু, জানুন লেটেস্ট আপডেট
প্রতিবাদে সভা ত্যাগ ও আইনি হুঁশিয়ারি
বিজেপির এই ‘অসভ্যতামি’র প্রতিবাদে তিনি সভা আর দীর্ঘায়িত না করার সিদ্ধান্ত নেন। উপস্থিত মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি এই অসভ্যতামি করতে পারব না। এটা খুব অপমানজনক। আমি কাল এখানে র্যালি করে দেব।’ একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, এই ঘটনার বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নেবেন। ভোটারদের কাছে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, এই অপমানের জবাব যেন সাধারণ মানুষ ইভিএম বক্সেই দেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


