Kolkata Investment Planning: কলকাতায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও লজিস্টিক পার্ক কিনল বহুজাতিক সংস্থা ব্রুকফিল্ড। তবে শুধু কলকাতা নয়; ভারতের একাধিক শহরে ইএসআর গ্রুপের থেকে মোট আটটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও লজিস্টিক পার্ক কিনেছে সেই বহুজাতিক ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম। সম্পদ অধিগ্রহণ ও পরিকাঠামো তৈরির জন্য ৪,৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে। তবে কলকাতা বা অন্য শহরের ঠিক কোথায় সেই পার্ক কেনা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি। কোথায় কত টাকা বিনিয়োগ করা হবে, তাও জানানো হয়নি ওই সংস্থার তরফে।
কোন কোন শহরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও লজিস্টিক পার্ক কিনেছে?

১) মুম্বই
২) পুণে
৩) দিল্লি-ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন বা দিল্লি-NCR
৪) চেন্নাই
৫) কলকাতা
লজিস্টিক ও শিল্প ক্ষেত্রেও পা বাড়াচ্ছে ব্রুকফিল্ড
আর ইএসআর গ্রুপের থেকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও লজিস্টিক পার্ক জমি কেনার বিষয়ে কানাডার বহুজাতিক সংস্থা ব্রুকফিল্ডের ডেপুটি চিফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসার এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যের রিয়েল এস্টেটের প্রধান অঙ্কুর গুপ্তা দাবি করেছেন, ভারতের অফিস এবং হসপিটালিটি ক্ষেত্রে তাঁদের সংস্থার যে উপস্থিতি আছে, তা ব্যবসার বহর বাড়ানোর পথ আরও প্রশস্ত করছে। এবার লজিস্টিক এবং শিল্প ক্ষেত্রেও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
ভারত টেক্কা দেবে বিশ্বকে, বার্তা ওই সংস্থার
তাঁর মতে, বিশ্বব্যাপী যে সাপ্লাই চেন আছে, তার সঙ্গে ভারত ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। এই মুহূর্তে ভারতে উন্নতমানের লজিস্টিক পরিকাঠামো দরকার। যা দেশের লজিস্টিক ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। আর দামের নিরিখেও বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন ব্রুকফিল্ডের ডেপুটি চিফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসার এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যের রিয়েল এস্টেটের প্রধান।
{{/usCountry}}তাঁর মতে, বিশ্বব্যাপী যে সাপ্লাই চেন আছে, তার সঙ্গে ভারত ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। এই মুহূর্তে ভারতে উন্নতমানের লজিস্টিক পরিকাঠামো দরকার। যা দেশের লজিস্টিক ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। আর দামের নিরিখেও বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন ব্রুকফিল্ডের ডেপুটি চিফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসার এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যের রিয়েল এস্টেটের প্রধান।
{{/usCountry}}বলাগড় বন্দর নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন
সেটার ক্ষেত্রে কলকাতার নামও জুড়ে গিয়েছে। তারইমধ্যে হুগলির বলাগড়ে যে মিনি বন্দরের পরিকল্পনা করা হয়েছে, তা নিয়ে বিশেষ রোড শোয়ের আয়োজন করা হয় কলকাতা বন্দর (শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর) কর্তৃপক্ষের তরফে। ওই বন্দরে বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরা হয় সেই রোড শোয়ের সময়।
অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্য উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন যে ওই প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যে পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্র এসে গিয়েছে। যে প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৫৩৮.২ কোটি টাকা। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের তরফে জানানো হয়েছে, বলাগড় প্রকল্পের ফলে কলকাতার ডক সিস্টেমের উপর থেকে চাপ কমবে।