RG Kar Hospital Row: 'স্ট্রেচার মেলেনি, হেঁটে শৌচাগারে যেতে গিয়ে মৃত্যু রোগীর', ফের বিতর্কে আরজি কর
'স্ট্রেচার মেলেনি, হেঁটে শৌচাগারে যেতে গিয়ে মৃত্যু হল রোগীর', ফের বিতর্কের মুখে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। গত শুক্রবার চার বছরের ছেলের চিকিৎসা করতে এসে লিফটে আটকে মৃত্যু হয় ৪০ বছরের এক ব্যক্তির।
আবারও বিতর্কের মুখে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। অভিযোগ উঠেছে যে স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ার না পাওয়ায় হেঁটেই শৌচাগারে যেতে গিয়ে মৃত্যু হল এক রোগীর। তার জেরে আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে আরজি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ২০২৪ সালের অগস্টে এই হাসপাতালেই এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছিল। আবার গত শুক্রবার চার বছরের ছেলের চিকিৎসা করতে এসে লিফটে আটকে মৃত্যু হয় ৪০ বছরের এক ব্যক্তির। আর তার দিনচারেকের মধ্যেই গাফিলতির জেরে রোগীমৃত্যুর অভিযোগ উঠল আরজি কর হাসপাতালে।
চিকিৎসার পরে রক্ত পড়া বন্ধ হয় নাক থেকে
ফের বিতর্কের মুখে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
রোগীর পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে বিশ্বজিৎ সামন্তকে আরজি করে আনা হয়েছিল। নাক থেকে ঝরছিল রক্তও। সেই পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি আরজি করে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে কিছুটা উন্নতি হয় শারীরিক অবস্থার। বন্ধ হয়ে যায় রক্ত। কিছুটা সুস্থ বোধ করার পরে প্রৌঢ় শৌচাগারে যেতে চাইছিলেন বলে পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে।
হেঁটে শৌচাগারে যেতে গিয়েই মৃত্যু, দাবি রোগীর পরিবারের
কিন্তু শৌচাগারে যাওয়ার সময় চূড়ান্ত অব্যবস্থার মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের অভিযোগ, আরজি কর হাসপাতালের যে জায়গায় প্রৌঢ়কে রাখা হয়েছিল, সেখানে কোনও শৌচালয় ছিল না। হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মীরা জানান যে শৌচাগার আছে দোতলায়। নাহলে বাইরে যেতে হবে। অনেকটা দূরে হলেও কোনও স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ার দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে হেঁটেই শৌচাগারে যেতে হচ্ছিল প্রৌঢ়কে। সেইসময় শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।
Home/Bengal/RG Kar Hospital Row: 'স্ট্রেচার মেলেনি, হেঁটে শৌচাগারে যেতে গিয়ে মৃত্যু রোগীর', ফের বিতর্কে আরজি কর
{{^htLoading}}
Advertisement
{{/htLoading}}
SHARE THIS ARTICLE ON
{{#usCountry}}{{/usCountry}}
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe