Mohsin Naqvi vs Shehbaz Sharif: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সামনেই তাঁকে ঠুকে দিলেন মহসিন নকভি? ইসলামাবাদের একটি অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের মন্ত্রীর ইঙ্গিতবাহী মন্তব্যের পরে সেই বিষয়টি নিয়েই হইচই শুরু হয়েছে। আমেরিকা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঘুরে আসার কয়েকদিন পরই ইসলামাবাদের ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া শেহবাজের সামনেই নকভিকে বলতে শোনা যায়, ‘একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আছেন, যিনি এক মাস ধরে অফিসে যাচ্ছেন না।’
একমাস ধরে বৈঠকে যাচ্ছেন না, আক্রমণ নকভির
সেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কে, কার কথা বলছেন, তা অবশ্য খোসলা করেননি নকভি। তাতে জল্পনা থামেনি। কারণ তাঁর মন্তব্যের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল একাধিক ইঙ্গিত। নকভি বলেন, 'আমাদের সকলকে মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। তাঁরা একটাই জিনিস দেখেন যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের প্রতিটি মিনিট তাঁদের জন্য উৎসর্গ করছেন নাকি নেতিবাচক রাজনীতি করছেন।'
তারপর তিনি বলেন, ‘তাঁরা একটা জিনিস দেখেন। একদিকে একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি আছেন, যিনি এক মাস ধরে কার্যালয়ে যাচ্ছেন না এবং একটিও বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না। অন্যদিকে এমন একজন আছেন, যিনি এক ঘণ্টাও ফাঁক রাখছেন না এবং আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আমি মানুষের কাছে আর্জি জানাব যে তাঁরা যেন এসব বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেন। (তাঁরা খতিয়ে দেখেন যে) তাঁরা যাদের নির্বাচিত করছেন, সেই প্রতিনিধিরা কীভাবে সময় ব্যয় করছেন।’
আসিম মুনিরের 'প্রিয়' লোক নকভি
আর সেইসব মন্তব্যের পরে স্বভাবতই নকভির সম্ভাব্য টার্গেট হিসেবে শেহবাজের নাম উঠে আসছে। বিশেষত ‘ট্রফিচোর’ নকভি হলেন পাকিস্তানের 'বস' আসিম মুনিরের 'প্রিয়' লোক হিসবে পরিচিত। সেই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে যে মুনিরের সবুজ সংকেত পেয়েই কি শেহবাজকে ঠুকেছেন পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান?
{{/usCountry}}আর সেইসব মন্তব্যের পরে স্বভাবতই নকভির সম্ভাব্য টার্গেট হিসেবে শেহবাজের নাম উঠে আসছে। বিশেষত ‘ট্রফিচোর’ নকভি হলেন পাকিস্তানের 'বস' আসিম মুনিরের 'প্রিয়' লোক হিসবে পরিচিত। সেই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে যে মুনিরের সবুজ সংকেত পেয়েই কি শেহবাজকে ঠুকেছেন পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান?
{{/usCountry}}নকভি ঝড় তুলেছিলেন গত জুলাইয়েই
নকভি গত জুলাইয়েই পাকিস্তানে ঝড় তুলেছিলেন। সেইসময় তিনি দাবি করেছিলেন যে পাকিস্তানের প্রশাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সেই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের প্রশাসনিক স্তরে আমূল পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে বলে দাবি করেছিলেন নকভি। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। রীতিমতো ঝড় বয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানে।
ওই ঘটনার কয়েক মাসের মধ্যেই নকভি এবার যে ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করলেন, তা নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ঘনিষ্ঠরাও। তেমনই একজন দাবি করেছেন যে শেহবাজকে নিশানা করেই সেই মন্তব্য করেছেন নকভি। যিনি সম্প্রতি পাকিস্তানে ছিলেন না। বরং ইমরানের দলের তুমুল বিক্ষোভের আবহে সপ্তাহদুয়েকের মতো বিদেশে ছিলেন শেহবাজ।