Sujit Bose on ED investigation: 'চুরি করাটা অপরাধ...', প্রায় ৯ ঘণ্টা পরে ইডির দফতর থেকে বেরিয়ে দাবি সুজিতের
Sujit Bose on ED investigation: পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) কাছে যান সুজিত বসু। প্রায় নয় ঘণ্টা ছিলেন ইডির দফতরে। তারপর বেরিয়ে আসেন তিনি। দাবি করেন, তদন্তে সহযোগিতা করবেন।
Sujit Bose on ED investigation: প্রায় নয় ঘণ্টা পরে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে এলেন সুজিত বসু। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ কেন্দ্রীয় সংস্থার দফতরে হাজিরা দেন বিদায়ী মন্ত্রী তথা বিধাননগরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। আর তারপর তিনি দাবি করেন, সাক্ষী হিসেবে সিজিও কমপ্লেক্সে এসেছিলেন। ভবিষ্যতে ডাকা হলেও ফের আসবেন। তদন্তে সবরকমের সহযোগিতা করবেন। তবে কেন্দ্রীয় সংস্থাকেও এটা স্মরণ করিয়ে দেন যে স্রেফ যেন হেনস্থা করার জন্য তাঁকে তলব করা না হয়। কারণ ব্যবসা করলে সেটা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় না। ব্যবসা করা অপরাধ নয়। অপরাধ হল চুরি করাটা।

ভোটের আবহেই সুজিতকে তলব ইডির
এমনিতে বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিতকে তলব করেছিল ইডি। গত ২ এপ্রিল থেকে দফায়-দফায় সমন পাঠাচ্ছিল রাজ্যের মন্ত্রীকে। এর আগে তলব পেয়ে তিনি নিজে না গিয়ে ছেলেকে ইডি দফতরে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সেই হাজিরা গ্রহণ করেনি কেন্দ্রীয় সংস্থা। ২৪ এপ্রিল ফের তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইডি। কিন্তু বিধাননগরের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে প্রচারের ব্যস্ততার কারণে এই মুহূর্তে হাজিরা এড়িয়ে ভোট মিটলে হাজিরা দেওয়ার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুজিত।
হাইকোর্টে মামলা সুজিতের
সেই আবেদনের ভিত্তিতে হওয়া মামলার শুনানি হয় হাইকোর্টে। ইডির তরফে দাবি করা হয়, অভিযুক্তের এই আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। বারবার সমন পাঠানো সত্ত্বেও সুজিত তদন্তে সহযোগিতা করছেন না। আবার সুজিতের আইনজীবীদের সওয়াল করেন সিবিআইয়ের চার্জশিটে দু’বছর আগে তাঁর নাম নেই। তা সত্ত্বেও ইডি কেন তাঁকে তলব করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আইনজীবীরা।
হাইকোর্টের নির্দেশ, তা মেনে চললেন সুজিত
উভয়পক্ষের সওয়াল শুনে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দেন, ১ মে সকাল সাড়ে ১০ টার মধ্যে ইডি দফতরে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে সুজিতকে। হাইকোর্ট স্পষ্ট বার্তা দেয়, নিজের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি আর ছেলেকে পাঠাতে পারবেন না।
বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, বারবার সমন পাওয়া সত্ত্বেও সুজিত হাজির না হলেও প্রতিটি সমনের লিখিত জবাব তিনি দিয়েছেন। সেই কারণেই ভোটের প্রার্থী হিসেবে তাঁর প্রচারের ব্যস্ততার কথা মাথায় রেখে আদালত তাঁকে এই সময়সীমা দিচ্ছে। আর হাইকোর্টের সেই নির্দেশ মতো শুক্রবার ইডি দফতরে হাজিরা দেন সুজিত।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


