TMC councillor arrest: '৩০ লাখ টাকা হজম', কলকাতার আরও ১ কাউন্সিলর গ্রেফতার, এখনও পর্যন্ত কতজনকে ধরা হল?

TMC councillor arrest: কলকাতা পুরনিগমের আরও এক কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হল। দিনচারেক আগে অভিযোগ জমা পড়েছিল কলকাতা পুরনিগমের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্বামী সলিল চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে।

Published on: Jun 9, 2026, 20:55:03 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

TMC councillor arrest: তোলাবাজির অভিযোগে কলকাতার এক কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর স্বামীকেও। পুলিশ সূত্রে খবর, দিনচারেক আগে অভিযোগ জমা পড়েছিল কলকাতা পুরনিগমের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্বামী সলিল চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠে যে তাঁরা এক বৃদ্ধের থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন ৩০ লাখ টাকা। সেইসঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে আজ ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং তাঁর স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কলকাতা পুরনিগমের আরও এক কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস)
কলকাতা পুরনিগমের আরও এক কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস)

এখনও পর্যন্ত কতজন কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হয়েছে?

তবে এই প্রথম কোনও তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হল না রাজ্যে পালাবদলের পরে। তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে কাউন্সিলরদর বিরুদ্ধে। সেজন্য তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যা নিয়ে অনেক কটাক্ষ করে বলেছেন, যে হারে কলকাতার কাউন্সিলরদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, তাতে ক্রিকেটের দল নামিয়ে দেওয়া যাবে বা ফুটবলের দল নামিয়ে দেওয়া যাবে মাঠে। এখনও পর্যন্ত কলকাতার কতজন কাউন্সিরলকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই তালিকা দেখে নিন -

১) ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত।

২) ১১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডল।

৩) ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমুদ্দিন।

৪) ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের অরিজিৎ দাস।

৫) ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশকুমার শর্মা।

৬) ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের সচিন সিং।

৭) ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুদীপ পোল্লে।

আরও পড়ুন: Digha Jagannath Mandir: 'সনাতনী ভাবাবেগে আঘাত', দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে ‘ধাম’ বাদ, কী নামে ডাকা হবে?

বিধানসভার সই জালিয়াতি কান্ডে চাপে তৃণমূল

আর সেই গ্রেফতারির মধ্যেই বিধানসভায় জাল সই কাণ্ডে বিব্রত হয়ে আছে তৃণমূল। বিধানসভার সই জালিয়াতি কান্ডে আজ দুপুরে মমতার বাড়ি লাগোয়া তৃণমূলের সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে (৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট) আসেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। যে ঠিকানা থেকেই বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি লেখা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: WB Monsoon 2026 Rain Forecast: অবশেষে বর্ষা পৌঁছাল বাংলায়, ৪-৫ দিনে আরও এগোবে, কোন জেলায় ভারী বৃষ্টি? কোথায় ঝড়?

যদিও সেইসময় সেখানে ছিলেন না মমতা বা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের অনুপস্থিতিতে সিআইডির তদন্তকারী অফিসার ও কালীঘাট থানার পুলিশ আধিকারিকদের ভিতরে ঢুকতে দেননি তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তী। বাধা দেন। তিনি দাবি করেন, অভিষেকের নামে চিঠি নিয়ে এসেছেন তাঁরা। কিন্তু অভিষেকই নেই। তাই তদন্তকারীদের ঢুকতে দিতে পারবেন না। প্রায় ৪৫ মিনিটের টানাপোড়েনের পরে তৃণমূল অফিসে ঢোকেন সিআইডি আধিকারিকরা।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More