Medical Colleges and Dolphin Park in WB: বাংলায় ৩ নয়া মেডিক্যাল কলেজ তৈরির কাজ শুরু, হুগলির ধারে ২ ডলফিন পার্কের ভাবনা
Medical Colleges and Dolphin Park in WB: পশ্চিমবঙ্গের তিনটি নয়া মেডিক্যাল কলেজ তৈরির কাজ শুরু হল। আবার হুগলির ধারে দুটি ডলফিন পার্কের পরিকল্পনা করা হয়েছে। কোন কোন জেলায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হবে? কোথায় হলে ডলফিন পার্ক?
Medical Colleges and Dolphin Park in WB: তিনটি নয়া মেডিক্যাল কলেজের জন্য কাজ শুরু করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পরে তিনটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ তৈরির কাজ শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ মেডিকেল সার্ভিসেস কর্পোরেশন লিমিটেড (WBMSCL)। সেই মর্মে ইতিমধ্যে আলিপুরদুয়ার, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানের জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় জমি আছে কিনা, পরিকাঠামোর হাত-হকিকত খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে ওই তিনটি জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিককে।

তিনটি মেডিক্যাল কলেজে মোট ৩০০টি আসন
গত ২৩ মে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গে চারটি নয়া সরকারি মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করা হবে। তারপরই পশ্চিমবঙ্গ মেডিকেল সার্ভিসেস কর্পোরেশন লিমিটেডের তরফে তোড়জোড় শুরু করা হয়। প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজে ১০০টি আসন বরাদ্দ করা হবে। অর্থাৎ তিনটি নয়া মেডিক্যাল কলেজ মিলিয়ে এমবিবিএসের জন্য মোট ৩০০টি আসন যুক্ত হবে রাজ্যের স্বাস্থ্য নেটওয়ার্কে।
কমপক্ষে ৪২০টি বেড থাকতে হবে হাসপাতালে
তাছাড়াও জাতীয় মেডিক্যাল কমিশনের নির্দেশিকা মোতাবেক ওই মেডিক্যাল কলেজগুলিতে বেডের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ মেডিকেল সার্ভিসেস কর্পোরেশন লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিটি হাসপাতালে কমপক্ষে ৪২০টি বেড থাকতে পারে। বজায় রাখতে পারে বার্ষিক ৮০ শতাংশের হার। তাছাড়াও মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট অ্যাকামেডিক বিল্ডিং এবং হস্টেল থাকতে হবে। যে হস্টেলে পড়ুয়া, ইন্টার্ন এবং রেসিডেন্ট স্টাফরা থাকতে পারবেন।
সেইসঙ্গে আলাদা-আলাদা ক্যাম্পাসে হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজ তৈরিরও অনুমতি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ মেডিকেল সার্ভিসেস কর্পোরেশন লিমিটেড। তবে দুটি জায়গার মধ্যে দূরত্ব ১০ কিলোমিটারের বেশি হতে পারবে না। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের চত্বরের মধ্যে মেডিক্যাল কলেজ তৈরির জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আছে কিনা, তা দেখতে হবে। যদি সেখানে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকে, তাহলে বিকল্প জমি খোঁজার জন্য ময়দানে নামবে জেলা প্রশাসন।
হুগলি নদী ঘেঁষে ডলফিন পার্ক তৈরির পরিকল্পনা
আবার তারইমধ্যে হুগলি নদী বরাবর দুটি ডলফিন পার্ক তৈরির বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গে জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ইকো-টুরিজম বিকশিত করতে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে রাজ্য সরকার ডলফিন পার্ক তৈরি করবে। একটি পার্কের জায়গা নিশ্চিত হয়ে গেলেও অপরটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে সূত্রের খবর। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেছেন, 'ডলফিন পার্ক তৈরির পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। একটি কাঁথিতে তৈরি করা হবে।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


