ছোটপর্দায় একের পর এক হিট মেগা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন দিব্যজ্যোতি দত্ত। তবে এবার চমক দেওয়ার পালা বড়পর্দায়। আর কিছু দিনের মধ্যেই তাঁকে দেখা যাবে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ছবি ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে…’ ছবিতে।

আরও পড়ুন: 'লোক মা-বাবাকে মিথ্যে বলে সিনেমা দেখতে যেত, আমি মন্দিরে যেতাম…', আধ্যাত্মিকতা নিয়ে যা বললেন শুভশ্রী
ছবিতে তাঁকে নিমাই সন্ন্যাসীর ভূমিকায় দেখতে পাবেন দর্শকরা। তবে এই কাজটি করার জন্য নায়ককে অনেকটা ওজন কমাতে হয়েছিল। আর এবার সেই প্রসঙ্গেই 'শর্মিলা শো হাউজে' মুখ খুললেন দিব্যজ্যোতি। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এই ছবিটার জন্য প্রথমে আমার চেহারা উপযুক্ত ছিল না। নিজের ওজন ঝরানো আর মানসিক ভাবে ওভাবে প্রস্তুত করা এই দুটোই আমার কাছে দুটো বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।’
আরও পড়ুন: অবশেষে ‘আর্য-অপর্ণা' বিয়ের পিঁড়িতে, 'একটু ইমোশানাল হয়ে যাচ্ছি…' বললেন জীতু
অভিনেতা আরও বলেন, ‘যখন খুব খিদে পেত আমি তরমুজ কিনে খেতাম। শরীরে যখন তরমুজটা যেত আমার মনে হতো পেট ভরে গিয়েছে। কিন্তু আসলে তা সম্ভব নয়। ওই জলটাতে পেটটা ভরে যেত।’
{{/usCountry}}অভিনেতা আরও বলেন, ‘যখন খুব খিদে পেত আমি তরমুজ কিনে খেতাম। শরীরে যখন তরমুজটা যেত আমার মনে হতো পেট ভরে গিয়েছে। কিন্তু আসলে তা সম্ভব নয়। ওই জলটাতে পেটটা ভরে যেত।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: বিমানের বিজনেস ক্লাসে মহারাজের সঙ্গে সেলফি সস্ত্রীক অরিজিতের! কোথায় চললেন তাঁরা?
নায়ক বলেন, শ্যুটিং যখন শুরু হচ্ছে তখন আমার প্রায় ২৫ কেজি কমে গিয়েছিল ওজন। তারপর শ্যুটিং যখন শেষ হয়েছে পুরী থেকে বাড়ি এসে দেখছি ২৭ কেজি কমে গিয়েছে।'
আরও পড়ুন: দ্বিতীয়বারের জন্য মা হলেন কমেডি কুইন ভারতী! গোলার পর মেয়ে হল না ছেলে?
প্রসঙ্গত, গৌরাঙ্গ বা শ্রী চৈতন্য ও নানা সময়ের সমাবর্তন এই ছবির পটভূমি। ছবিতে তিনটি সময়কাল এক সুতোয় বেঁধে তুলে ধরা হবে। সৃজিতের ছবিতে শ্রীচৈতন্যর সময়কাল, নটী বিনোদিনী-গিরিশ ঘোষের সময় কাল এবং বর্তমান সময় এক সুতোয় বাঁধা পড়বে। ছবিতে শ্রীচৈতন্যের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে দিব্যজ্যোতি দত্তকে। অন্যদিকে, অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় এই ছবিতে নটী বনোদিনী। নটী বিনোদিনীর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হল 'চৈতন্যলীলা'। সেই সূত্র ধরেই নায়িকা এই ছবির খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অন্যদিকে, ছবির মধ্যেও একটা ছবি হতে দেখা যাবে। সেই ছবির নায়ক ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। পেশার খাতিরে সেও সাজবে শ্রী চৈতন্য। আর ট্রেলারেও সেই ধারা অব্যহত ছিল।