...
...
Next Story

Arijit Singh Guitar: কাদের নাম ঝিলিক, ঝোরা, মিঠি! কেন এদের নাম নিজের বাদ্যযন্ত্রে লিখে ঘোরেন গায়ক অরিজিৎ সিং?

অরিজিৎ সিংয়ের ভক্তরা অনেকেই দেখেছেন যে গায়কের গিটারে লেখা রয়েছে ঝিলিক, ঝোরা, মিঠি। জানেন কি কাজের নাম নিজের গিটারে লিখে ঘোরেন তিনি?

Updated on: Dec 10, 2025, 13:13:15 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

দেশের সেরা গায়ক কে প্রশ্নে ১০০ জনের মধ্যে হয়তো ৬০জনই নেবে অরিজিৎ সিং-এর নাম। প্রেম থেকে বিরহ, জমিয়ে পার্টি, সবেতেই গায়কের জুরি মেলা ভার। এক-একটা কনসার্টে লাখ টাকার টিকিটও বিক্রি হয়। আর যারা গায়কের কনসার্টে গিয়েছেন, তাঁরা হয়তো লক্ষ করে থাকবেন সেখানে লেখা রয়েছে ন ঝিলিক, ঝোরা, মিঠি নামগুলি। জানেন কি, কাদের নাম গিটারে লিখে ঘোরেন গায়ক?

কাদের নাম ঝিলিক, ঝোরা? কেন লেখা থাকে অরিজিতের গিটারে?
কাদের নাম ঝিলিক, ঝোরা? কেন লেখা থাকে অরিজিতের গিটারে?

ঠিক কী কারণ এভাবে নাম লিখে রাখার পিছনে? অরিজিতের জীবনে কী এরকম নামে কোনো বিশেষ মানুষ রয়েছে?এই প্রসঙ্গে অরিজিতের গিটারিস্টের কাছে মেলেনি কোনও সদুত্তর। তবে গায়কের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র জানিয়েছেন ভালোবেসে অ্যাকোয়াস্টিক গিটারগুলির এক-একটি নাম রাখেন তিনি। আর সেগুলোই খোদাই করে দেন গিটারে। তবে কোন গিটারের কোন নাম কেন রাখা হয়েছে, সে উত্তর ওই ব্যক্তিও দিতে পারেননি।

আরও পড়ুন: ‘ভদ্রলোক তো এমনিতে কোনো অন্যায় করেনি…’, গীতাপাঠের দিন ব্রিগেডে চিকেন প্যাটিস বিক্রির জন্য মারধরের প্রতিবাদ পরমব্রতর

জিয়াগঞ্জে বেড়ে ওঠা। এখনও সেখানকার মানুষদের কাছে তিনি আদরের সোমু। সেখানে এখনও অরিজিৎ ‘বাড়ির ছেলে’, বড়ই আদরের। স্কুটার নিয়ে, কখনো আবার পায়ে হেঁটেই ঘুরে বেড়ান। বাজার যান, দোকানপাট করেন। ছেলেদের পৌঁছে দেন স্কুলে। আবার বউ কোয়েলকে স্কুটারের পিছনে বসিয়ে ঘুরেও বেড়ান।

যখনই স্টেজে ওঠেন অরিজিৎ, তখনই ভিড় জমান লাখ-লাখ মানুষ। টিকিটের দাম যাই থাকুক না কেন, ভিড়ে কোনও কমতি থাকে না। বলিউডের ছবি অরিজিতের গান ছাড়া অনেকটা টকজল ছাড়া ফুচকা! সঙ্গে বাংলাতেও কিন্তু অনেকগুলো করে গান করেন ফি বছর। অর্থাৎ মোটা আয়। তবে এই মানুষটা কিন্তু থাকতে ভালোবাসেন সেই মাটির কাছাকাছি।

আরও পড়ুন: ‘রাত্রিযাপন করেছে, মাথায় সিঁদুর পরত’! গোপন বিয়ে, লিভ ইন? HT Bangla-কে সত্যি জানাল বেশ করেছি প্রেম করেছি নায়িকা কৌশিকী

না পোশাকের কোনো তামঝাম, না কখনো ঘোরেন বডি গার্ড নিয়ে। বিমানের ইকোনমি ক্লাস হোক বা ট্রেনের স্লিপার, একেবারে সাধারণের ভিড়ে মিশে যান অবলীলায়। জন্মদিনের দিন কোনও ধুমধারাক্কা পার্টি নন। বরং গরীব, দুঃস্থদের জন্য যে হোটেলটি তিনি খুলেছেন সেখানে পংতিভোজনের ব্যবস্থা করা হয়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe