কদিন আগেই জি বাংলার নতুন ধারাবাহিক ঘোষণা হওয়ার পর, তোলপাড় হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। কারণ ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে 'সাত পাকে বাঁধা' নামে একটি ধারাবাহিক। আর এটিকে দেওয়া হয় রাত ন'টার স্লট। যে স্লটে বেশ ভালো নম্বর তুলছে জোয়ার ভাঁটা ধারাবাহিকটি। আর শুধু ভালো নম্বরই তুলছে না, চিরসখা ধারাবাহিককে হারিয়ে স্লটও রাখছে নিজের দখলে।

রাত ৮.৩০টায় পাঠানো হয়েছে জোয়ার ভাঁটাকে। আর তারপর থেকে প্রতীক ভক্তদের মনে চিন্তা ছিল, তাহলে কি শেষ করা হবে আমাদের দাদামণি? না তেমনটা একেবারেই নয়, কারণ আমাদের দাদামণি আপাতত বন্ধ হওয়ার প্রশ্নই উঠছে না। বরং পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাত ১০.১৫টার স্লটে। এখন দেখার নতুন স্লটে কতটা জমিয়ে বসতে পারে জোয়ার ভাঁটা। কারণ এবারের প্রতিপক্ষ বেঙ্গ টপার ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জী’।
অর্থাৎ, শেষ হচ্ছে আনন্দী ধারাবাহিক। সদ্য ৭০০ পর্বের উদ্যাপন করেছে এটি। ১৭ ফেব্রুয়ারি শেষ দেখা যাবে জি বংলার এই মেগা। অর্থাৎ শেষ হচ্ছে বছর দেড়েকের পথ চলা। এমনিতেও অবশ্য টিআরপি নম্বর ছিল তলানিতে। দর্শকদের অভিযোগ ছিল, গল্পেরও আর কোনো মাথামুণ্ডু নেই। অবশেষে ধারাবাহিক বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছে জি বাংলার এই মেগা। আনন্দী ছিল নীলাঞ্জনা সেনগুপ্তর ‘নিন চিনিজ মাম্মাজ় প্রোডাকশন’ থেকে আসা প্রথম ধারাবাহিক। এই কাহিনির মাধ্যমে আবার ছোটপর্দায় ফিরেছিল অন্বেষা এবং ঋত্বিক মুখোপাধ্যায়ের জুটি। এর আগে তাঁদের দেখা গিয়েছিল ‘আমাদের পথ যদি না শেষ হয়’-তে।
আরও পড়ুন: রাজের সিনেমায় গেয়েছেন সারেগামাপা-খ্যাত আরাত্রিকা, কোথায় শোনা যাবে খুদে কমরেডের গান?
সাত পাকে বাঁধ প্রসঙ্গে:
সাত পাকে বাঁধা-র প্রোমো এসেছিল বছরখানেক আগে। দুই আলাদা পরিবারের গল্প দেখানো হয়েছে। নায়িকার বাবা শিক্ষামন্ত্রী, প্রাচুর্য, বিলাস-বৈভব, তবে পরিবারের ভিতরে নেই কোনো ভালোবাসা। অন্য দিকে, নায়কের পরিবার খুবই সাদামাটা। কিন্তু ভালোবাসায় ভরপুর। নায়িকার বাবার সেক্রেটারি নায়ক, কী হবে যখন এই দুই পরিবারের মধ্যে জুড়বে সম্পর্ক। সাত পাকে বাঁধা ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন রাহুল মজুমদার, নবাগতা সম্পূর্ণা রক্ষিত। এছাড়াও দেখা যাবে দেবদূত ঘোষ, চান্দ্রেয়ী ঘোষকে।