Vande Bharat Sleeper Train: এই ব্যস্ত রুটে চালু হচ্ছে দ্বিতীয় বন্দে ভারত স্লিপার, দূরত্ব ১,০০০ কিমির বেশি!
Vande Bharat Sleeper Train: বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের আগমন ভারতীয় রেলের এক বিশাল বিপ্লব। ভারতের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হয়েছে হাওড়া-কামাখ্যা রুটে। এবার যে রুটে চালু হচ্ছে, তার দূরত্ব ১,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি।
Vande Bharat Sleeper Train: ভারতীয় রেলের মুকুটে যুক্ত হতে চলেছে আরও একটি নতুন পালক। প্রিমিয়াম ভ্রমণের সংজ্ঞা বদলে দিতে খুব শীঘ্রই ট্র্যাকে নামতে চলেছে আরও একটি বন্দে ভারত স্লিপার কোচ। বিশেষ করে যাঁরা দক্ষিণ ভারত থেকে বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বইয়ের দিকে যাতায়াত করেন, তাঁদের জন্য খুশির খবর। বেঙ্গালুরু এবং মুম্বইয়ের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমিয়ে আনতে এবং বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে এই রুটেই প্রথম সারির স্লিপার ট্রেন চালুর পরিকল্পনা করছে রেল। বেঙ্গালুরু সেন্ট্রালের সাংসদ পিসি মোহন জানিয়েছেন, কেএসআর বেঙ্গালুরু থেকে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস পর্যন্ত বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু করার অনুমতি মিলেছে।

বন্দে ভারত স্লিপার কেন বিশেষ?
বর্তমান বন্দে ভারত ট্রেনগুলি মূলত চেয়ার কার হিসেবে পরিচিত, যা স্বল্প থেকে মাঝারি দূরত্বের জন্য আদর্শ। কিন্তু দীর্ঘ সফরের ক্ষেত্রে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখেই স্লিপার সংস্করণটি আনা হয়েছে। এই ট্রেনের বৈশিষ্ট্যগুলি কোনও বিদেশি ট্রেনের চেয়ে কম নয়।
১) বিলাসবহুল ইন্টেরিয়র: ট্রেনের ভেতরের সাজসজ্জা অত্যন্ত আধুনিক এবং আরামদায়ক। প্রতিটি বার্থে উন্নত মানের কুশন ব্যবহার করা হয়েছে।
২) উন্নত নিরাপত্তা: এতে রয়েছে ‘কবচ’ অ্যান্টি-কলিশন সিস্টেম, যা দুর্ঘটনা রোধে অত্যন্ত কার্যকর।
৩) অটোমেটিক দরজা ও সেন্সর: ট্রেনের দরজাগুলি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় এবং এতে আধুনিক সেন্সর ভিত্তিক টয়লেট ও লাইটিং ব্যবস্থা রয়েছে।
৪) গতি ও সময় সাশ্রয়: রাজধানী বা দূরন্ত এক্সপ্রেসের তুলনায় এই ট্রেনের গতিবেগ বেশি হবে, ফলে বেঙ্গালুরু-মুম্বই রুটে সফরের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
বেঙ্গালুরু-মুম্বই রুট কেন গুরুত্ব পাচ্ছে?
বেঙ্গালুরু এবং মুম্বই ভারতের দুটি প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র। আইটি প্রফেশনাল থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী- হাজার-হাজার মানুষ প্রতিদিন এই দুই শহরের মধ্যে যাতায়াত করেন। বর্তমানে এই পথে অনেক ট্রেন থাকলেও, প্রিমিয়াম এবং দ্রুতগতির ট্রেনের চাহিদা সবসময়ই তুঙ্গে ছিল। বন্দে ভারত স্লিপার চালু হলে তা কেবল যাতায়াত সহজ করবে না, বরং পর্যটন এবং ব্যবসার ক্ষেত্রেও নতুন গতির সঞ্চার করবে।
যাত্রীদের জন্য বিশেষ সুবিধা
দীর্ঘ রেল যাত্রায় ক্লান্তি দূর করতে এতে দেওয়া হয়েছে শব্দহীন কেবিন। অর্থাৎ ট্রেনের চাকার আওয়াজ বা বাইরের হইচই কামরার ভেতর আসবে না। এছাড়া বায়ো-ভ্যাকুয়াম টয়লেট এবং উন্নত মানের এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য প্রতিটি কোচে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


