Aadhaar Card for Children: জলদি আধার কার্ড আপডেট করতে বাচ্চাদের! না হলে আটকে যেতে পারে জরুরি কাজ, কী করবেন?
Aadhaar Card for Children: আধার কার্ড কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়, এটি বর্তমান ডিজিটাল ব্যবস্থার মেরুদণ্ড। শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং সরকারি জটিলতা এড়াতে সঠিক সময়ে বাল আধার আপডেট করা প্রতিটি অভিভাবকের দায়িত্ব।
Aadhaar Card for Children: বর্তমান সময়ে ভারতে আধার কার্ড একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি। বড়দের পাশাপাশি শিশুদের ক্ষেত্রেও এই কার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের জন্য সরকার 'বাল আধার' কার্ড চালু করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আপনার সন্তানের বাল আধার কার্ড যদি সঠিক সময়ে আপডেট না করা হয়, তবে সেটি নিষ্ক্রিয় বা ইনঅ্যাক্টিভ হয়ে যেতে পারে। এতে ভবিষ্যৎ ভেরিফিকেশনে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে পারেন অভিভাবকরা।

বাল আধার কার্ড কী?
বাল আধার হল নীল রঙের একটি আধার কার্ড, যা পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের জন্য ইস্যু করা হয়। বড়দের আধারের ক্ষেত্রে আঙুলের ছাপ বা চোখের মণির স্ক্যান প্রয়োজন হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত কোনও বায়োমেট্রিক তথ্যের প্রয়োজন হয় না। এটি মূলত শিশুর জন্মের শংসাপত্র এবং বাবা-মায়ের আধার কার্ডের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।
৫ ও ১৫ বছর বয়সের গুরুত্ব
আধার কর্তৃপক্ষের (UIDAI) নিয়ম অনুযায়ী, বাল আধারের ক্ষেত্রে দুটি বয়সের সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমটি হল, যখন শিশুর বয়স পাঁচ বছর পূর্ণ হয় এবং দ্বিতীয়টি হল যখন তার বয়স ১৫ বছর হয়।
১) ৫ বছর বয়সে আপডেট: শিশু যখন পাঁচ বছরে পা দেয়, তখন তার শৈশবের শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। এই সময় তার হাতের আঙুলের ছাপ এবং চোখের মণির স্ক্যান প্রথমবারের মতো আধার ডেটাবেসে নথিভুক্ত করতে হয়। একে বলা হয় 'Mandatory Biometric Update' (MBU)।
২) ১৫ বছর বয়সে আপডেট: এরপর শিশু যখন কিশোর বয়সে অর্থা ১৫ বছর বয়সে পৌঁছায়, তখন তার বায়োমেট্রিক তথ্য আরও একবার আপডেট করতে হয়। কারণ এই বয়সে শরীরের গঠন এবং আঙুলের ছাপ স্থায়ী রূপ পায়।
আপডেট না করলে কী ক্ষতি হতে পারে?
পাঁচ বা ১৫ বছর বয়স হওয়ার পরেও যদি বায়োমেট্রিক আপডেট না করা হয়, তবে সেই আধার কার্ডটি অবৈধ হয়ে যায়। ফলে স্কুল ভর্তি, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ বা পাসপোর্ট তৈরির মতো কাজে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে না। এমনকি আধার লিঙ্কের মাধ্যমে পাওয়া অন্যান্য সরকারি সুবিধাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সন্তানের বয়স যদি রাঁ বা ১৫ বছর হতে চলেছে, তবে দেরি না করে নিকটস্থ আধার সেন্টারে যান। এই বাধ্যতামূলক বায়োমেট্রিক আপডেটটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হয়। সেন্টারে যাওয়ার সময় শিশুর মূল আধার কার্ড এবং অভিভাবকের আধার কার্ড সঙ্গে রাখুন। বায়োমেট্রিক আপডেটের পর একটি স্লিপ দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আপডেটের স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


