Abhishek on chartered flight row: 'আমার পাশের সিটে যদি কেউ বসেন....', চার্টার্ড ফ্লাইট বিতর্কে সাফ কথা অভিষেকের
Abhishek on Kunal's chartered flight comment: 'আমার পাশের সিটে যদি কেউ বসেন....', চার্টার্ড ফ্লাইট বিতর্কে সাফ কথা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
Abhishek on Kunal's chartered flight comment: চার্টার্ড ফ্লাইটে করে দিল্লি গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আক্রমণ শানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী খোদ তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেছেন যে দলের টাকায় অভিষেক চার্টার্ড ফ্লাইটে গেলে সেটাকে মোটেও সমর্থন করেন না। আর সেইসব বিষয় নিয়ে দিল্লিতে মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘যাঁরা বলছেন, আমি কীসে আসছি, কীসে যাচ্ছি, কোথা থেকে নামছি, তাঁরা যদি লিখিত দিয়ে দেন, (তাহলে) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইকোনমি ক্লাস যাবে। আমার পাশে সিটে যদি কেউ বসে থাকেন, যেটা আমার সঙ্গে অনেকবার হয়েছে, আমার লিগ্যাল অপিনিয়ন নিয়ে এটা করা। কুণাল ঘোষ আমার সহমর্মী। সে যদি আমার বিরুদ্ধে বলে, আমি তার বিরুদ্ধে বলব না।’

'জাস্ট সমর্থন করি না', স্পষ্টবাক কুণাল
আসলে বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল নিয়ে সংঘাতের আবহে দিল্লিতে লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন অভিষেক। একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে যে চার্টার্ড ফ্লাইটে করে কলকাতা থেকে দিল্লিতে গিয়েছেন তিনি। সেই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক (যিনি মমতাপন্থীও বটে) ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করে বলেন যে ‘পার্টির এই অবস্থার মধ্যে কেউ যদি চার্টার্ড বিমানে করে গিয়ে থাকেন, তাহলে সেটার সমর্থন জাস্ট করি না।’
‘কোনওমতে আমি সেটার সমর্থন করছি না’, বার্তা কুণালের
সেইসঙ্গে কুণাল বলেন, ‘আমি এয়ারপোর্টে ছিলাম না। আমি বলতে পারব না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোন ফ্লাইটে গিয়েছেন, সেটা যাত্রীবাহী সাধারণ বিমান নাকি চার্টার্ড বিমান নাকি বিশেষ বিমান, সেটা আমি বলতে পারব না। এখন এ বিষয়ে কথা বলার আমি কেউ নই। কিন্তু পার্টির খরচ করে কেউ যদি বিমান ভাড়া করে গিয়ে থাকেন, তাহলে কোনওমতে আমি সেটার সমর্থন করছি না।’
সাংসদপদ ছেড়ে নতুন করে জিতে দেখান, দেবদের চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
তারইমধ্যে স্পিকারের সঙ্গে অভিষেক দাবি করেছেন, বিদ্রোহী ২০ সাংসদের অবিলম্বে সদস্যপদ বাতিল করে দেওয়া হোক। আলাদা ব্লকেরও কোনও জায়গা নেই সংবিধানে। সেইসঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন, যাঁরা বিদ্রোহী হয়েছেন, তাঁরা সাংসদপদ ছেড়ে বিজেপি, তৃণমূল বা অন্য কোনও দলের প্রতীকে ভোটে দাঁড়িয়ে লড়াই করার বার্তা দেন অভিষেক।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


