Bangladesh PM Advisor on Adani-BRICS: ব্রিকস সম্মেলন শেষ হয়ে গিয়েছে। ভারত, রাশিয়া-সহ বিভিন্ন সদস্য দেশ অন্যান্য দিকেও মনোযোগ দিতে শুরু করেছে। অথচ সদস্য দেশ না হয়েও বাংলাদেশের শীর্ষনেতারা এখনও ব্রিকস সম্মেলনের কথা ভুলতে পারছেন না। পরিস্থিতি এমনই হয়েছে যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তথা শাসক দস বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি দাবি করেছেন, তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেননি বলেই তাঁদের দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছিল আদানি গোষ্ঠী।
কারিগরি ত্রুটির দোহাই দিয়েছিল আদানি গোষ্ঠী, দাবি রিজভির
সংবাদমাধ্যম দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে রিজভি দাবি করেন, নয়াদিল্লিতে হওয়া ব্রিকস সম্মেলনে যোগ না দিয়ে তারেক নাকি বাংলাদেশের সম্মান রক্ষা করেছেন। কিন্তু সেই কারণে আদানি গোষ্ঠীর তরফে বাংলাদেশে ঠিকমতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়নি বলে দাবি করেন রিজভি। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে কারিগরি ত্রুটির দোহাই দিয়ে আদানি গোষ্ঠী বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।
রিজভির কথা ধোপে টেকেনি বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমেই
বিষয়টি নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর তরফে কোনও মন্তব্য করা না হলেও রিজভির দেশেরই সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়, ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় সংস্থার একটি ইউনিটে গোলযোগের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বাংলাদেশের সরকারি পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার রাতে গোড্ডা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাত্রা ১,৪০০ মেগাওয়াট পেরিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু একটি ইউনিটে গোলযোগের কারণে সরবরাহ নেমে যায় ৭৫০ মেগাওয়াটের নীচে।
ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন থেকেই স্বাভাবিক হয় পরিষেবা
{{/usCountry}}ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন থেকেই স্বাভাবিক হয় পরিষেবা
{{/usCountry}}যদিও ১৩ সেপ্টেম্বর থেকেই আবার পরিষেবা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে খোদ বাংলাদেশি সরকারি সংবাদসংস্থার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যেদিন ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন ছিল (প্রথমদিন ছিল ১২ সেপ্টেম্বর)। অর্থাৎ ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন থেকেই কেন আদানি পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে শুরু করল, তা নিয়ে কিছু বলতে পারেননি রিজভি।
এমনিতে ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে বাংলাদেশের শীর্ষ মহলে কার্যত হাহাকার চলছে। ব্রিকসের সদস্য দেশ নয় বাংলাদেশ। সেই পরিস্থিতিতে বিমস্টেকের প্রধান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, বাকিদের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। যে দেশগুলি ব্রিকসের সদস্য নয়, তাদের রাষ্ট্রনেতাদের দেশের প্রধান হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। কিন্তু ‘অপমানিত’বোধ করেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর।