Axis My India on WB Poll 2026: এক্সিট পোল দেয়নি, কিন্তু বাংলায় বিজেপির কী হাল? জানালেন Axis My India-র কর্ণধার
Axis My India on WB Poll 2026: রাত পোহালেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের গণনা। আর সেই গণনার আগে হাওয়া কোনদিকে বইছে, তা ধর্তব্যে আনতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। সেই বাংলায় বিজেপির কী হাল, তা জানালেন অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার প্রধান।
Axis My India on WB Poll 2026: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। আগামিকালই স্পষ্ট হয়ে যাবে যে বাংলার মসনদে চতুর্থবারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিরছেন, নাকি প্রথমবার ঘাসফুল শিবিরকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। অধিকাংশ বুথফেরত সমীক্ষা রাজ্যে বিজেপির জয়ের ইঙ্গিত দিলেও, দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য সংস্থা ‘অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া’ শেষ মুহূর্তে তাদের তথ্য প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। কেন এই সিদ্ধান্ত? তা নিয়ে ইতিমধ্যে মুখ খুলেছেন সংস্থার কর্ণধার প্রদীপ গুপ্তা। তারপরও ব্যাখ্যা করলেন যে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন দেখেছেন।

কেন প্রকাশিত হল না এক্সিট পোল?
সাধারণত পূর্বাভাসের জন্য পরিচিত প্রদীপ গুপ্ত ও তাঁর সংস্থা ‘অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া’। কিন্তু এবার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সেই কোনও নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান দিতে অস্বীকার করেছে। প্রদীপ জানিয়েছেন, সমীক্ষা করার সময় তাঁদের প্রতিনিধিরা এক নজিরবিহীন ও অদ্ভুত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। সমীক্ষকদের কাছে বাংলার প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটারই মুখ খুলতে চাননি। তাঁরা কাকে ভোট দিয়েছেন বা কার পক্ষে হাওয়া, সে বিষয়ে নীরবতা পালন করেছেন।
প্রদীপের কথায়, ‘আমাদের স্যাম্পলিং মডেলে সাধারণত মানুষের কিছুটা জড়তা বা উত্তর না দেওয়ার প্রবণতাকে (Non-response rate) হিসেবে রাখা হয়। কিন্তু এবার পশ্চিমবঙ্গে সমীক্ষায় অংশ নিতে অস্বীকার করার হার গত কয়েক দশকের সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে। ভোটারদের এই চরম নীরবতার কারণে কোনও বৈজ্ঞানিক তথ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ভুল তথ্য দিয়ে জনমানসে বিভ্রান্তি ছড়াতে চাইনি বলেই আমরা সমীক্ষা প্রকাশ থেকে বিরত থেকেছি।’
বিজেপির অবস্থান নিয়ে কী বললেন প্রদীপ?
যদিও সংস্থাটি কোনও সিট শেয়ারিং বা ভোটের শতাংশ প্রকাশ করেনি, তবে প্রদীপ ব্যক্তিগতভাবে বিজেপির পরিস্থিতি নিয়ে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিশ্লেষণ দিয়েছেন। একটি সংবাদমাধ্যম আজতককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, গত নির্বাচনের তুলনায় এবার বাংলায় বিজেপির অবস্থা অনেক বেশি মজবুত ও উন্নত।
তিনি সরাসরি কোনও দলের জয়ের কথা না বললেও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ২০২১ সালের নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসন পেয়েছিল, তার আগের নির্বাচনে (২০১৬) তারা পেয়েছিল মাত্র ৩টি আসন। এবার সেই গ্রাফ আরও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ, ভোটের ময়দানে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির লড়াই যে অত্যন্ত সেয়ানে-সেয়ানে হয়েছে এবং গেরুয়া শিবির যে গতবারের চেয়ে ভালো ফল করতে পারে, সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


