Bangladesh Terrorism Latest Update: বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব এবং এর মোকাবিলায় সরকারের রণকৌশল নিয়ে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ খোলামেলা আলোচনা করেছেন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তাঁর মতে, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ একটি বাস্তব সমস্যা, যা নিয়ে অতীতে যেমন অতিরঞ্জিত রাজনীতি হয়েছে, তেমনই বর্তমানে এটিকে অস্বীকার করার প্রবণতাও বিপজ্জনক হতে পারে। যদিও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন 'জঙ্গি' বলে যে শব্দ উত্থাপন করা হচ্ছে, সেটা বাংলাদেশের ‘বর্তমান সংস্কৃতিতে এখন আর নেই’।

আরও পড়ুন: Watermelon Tips: তরমুজে বিষাক্ত লাল রং? ৫ সেকেন্ডের এই ৩ কৌশলেই দেখে নিন আসল নাকি নকল জিনিস এটা
দুই চরমপন্থার মাঝে বাস্তব পরিস্থিতি
বাংলাদেশের তথ্য উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে দুটি চরমপন্থার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, প্রথমত, বিগত আওয়ামি লিগ সরকারের আমলে জঙ্গি সমস্যাকে এমন এক বিশাল আকারে তুলে ধরা হয়েছিল, যা ছিল মূলত তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকার একটি রাজনৈতিক অস্ত্র। তৎকালীন সরকারের ন্যারেটিভ ছিল - দেশে জঙ্গিরা সব দখল করে নেবে, তাই গণতন্ত্র বা নির্বাচনের চেয়ে তাদের ক্ষমতায় রাখাই বেশি জরুরি। সেটি ছিল জঙ্গিবাদের একটি অতিরঞ্জিত চিত্র।
আরও পড়ুন: Super El Niño: ভয়ঙ্কর গরমে জ্বলেপুড়ে যাবে দেশ? ‘সুপার এল নিনো' আতঙ্ক চরমে, আগামী দিনে কী হবে?
ইউনুসদের আমল নিয়ে
দ্বিতীয় চরমপন্থার বিষয়ে ব্যাখ্যা করে তিনি দাবি করেছেন, মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে কোনও কোনও মহলের তরফে দাবি করা হত যে বাংলাদেশে আদৌ কোনও জঙ্গি নেই। তথ্য উপদেষ্টা এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়ে একে ‘ভুল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশে একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে জঙ্গিবাদ ছিল এবং এখনও আছে। এটিকে স্বীকার না করলে এর সঠিক সমাধান সম্ভব নয়।
{{/usCountry}}দ্বিতীয় চরমপন্থার বিষয়ে ব্যাখ্যা করে তিনি দাবি করেছেন, মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে কোনও কোনও মহলের তরফে দাবি করা হত যে বাংলাদেশে আদৌ কোনও জঙ্গি নেই। তথ্য উপদেষ্টা এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়ে একে ‘ভুল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশে একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে জঙ্গিবাদ ছিল এবং এখনও আছে। এটিকে স্বীকার না করলে এর সঠিক সমাধান সম্ভব নয়।
{{/usCountry}}অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ
সেই রেশ ধরে বাংলাদেশের তথ্য উপদেষ্টা স্বীকার করেছেন যে দেড় বছরের অন্তর্বর্তীকালীন সময় এই উগ্রবাদী ভাবধারার মানুষদের মধ্যে কিছুটা সংগঠিত হওয়ার প্রবণতা দেখা গিয়েছে। তারা আগের চেয়ে বেশি জনসমক্ষে বা ‘ওপেনলি’ আসার চেষ্টা করছে, যা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কিছুটা ঝুঁকি তৈরি করেছে। তবে তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, এই ঝুঁকি এমন পর্যায়ে নেই যে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত হতে হবে। সরকার এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং কঠোরভাবে এটি মোকাবিলা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।