Tribunal applicants voting rights: ট্রাইবুনালে আবেদনকারীররা ভোট দিতে পারবেন না এবার বিধানসভা নির্বাচনে। জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর (ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা) মামলার শুনানির সময় আইনজীবী তথা শ্রীরামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন যে ট্রাইবুনালে ১৬ লাখ আবেদন জমা পড়েছে। তাঁদের যেন ভোটদানের অনুমতি দেওয়া হয়। যদিও সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকন্ত। তিনি বলেন, 'সেটার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আমরা যদি সেই অনুমতি দিই, তাহলে যাঁদের নাম (ভোটার তালিকায়) অন্তর্ভুক্ত আছে, তাহলে তাঁদের ভোটদানের অধিকার স্থগিত করে দিতে হবে।'
'আপিল ট্রাইবুনালের বিচারকদের উপরে চাপ তৈরি করতে পারি না'

সেই রেশ ধরে সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের অন্যতম সদস্য বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, '৩৪ লাখ আবেদন আছে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির রিপোর্টে সেটাই বলেছে।' প্রধান বিচারপতি বলেন, 'আমরা এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করে দিতে পারি না, যেখানে আপিল ট্রাইবুনালের বিচারকদের ওপর বোঝা চাপানো হয়।'
‘বাংলা লড়তে জানে’, কাকে বললেন কল্যাণ?
তারপর কল্যাণ বলেন, 'বাংলার মানুষ এই আদালত এবং বিচারপতিদের দিকে তাকিয়ে আছেন।' পালটা আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় বলেন, 'বাংলার জনবিন্যাস পরিবর্তন করা হয়েছে এবং এটি অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা।' পালটা কল্যাণ বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে কথা বলবেন না। বাংলা লড়তে জানে।’
আরও পড়ুন: West Bengal Assembly Election: 'এসআইআরের পরে রাজ্যে এনআরসি করবে বিজেপি', ভোটবঙ্গে সামনে বড় দাবি
'জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে'
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: West Bengal Assembly Election: 'এসআইআরের পরে রাজ্যে এনআরসি করবে বিজেপি', ভোটবঙ্গে সামনে বড় দাবি
'জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে'
{{/usCountry}}তারইমধ্যে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় শীর্ষ আদালত। জুডিশিয়াল অফিসারদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তাঁদের সুরক্ষা আরও বাড়াতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ছাড়া কোনওভাবেই বিচারকদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা যাবে না।