Bengal trifurcation row: বাংলাকে ৩ টুকরো করার ছক বিজেপির, মেশাতে পারে বিহার-ওড়িশার সঙ্গে, বিস্ফোরক মমতার
Bengal trifurcation row: পশ্চিমবঙ্গকে তিনটি টুকরো করার ছক বিজেপির, মেশাতে পারে বিহার-ওড়িশার সঙ্গে, বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সেই বিস্ফোরক দাবি করলেন।
Bengal trifurcation row: বিজেপি পশ্চিমবঙ্গকে তিন টুকরো করার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বাঁকুড়ার ছাতনার শালচুড়া ফুটবল মাঠের জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো বলেন, ‘ডিলিমিটেশনের মাধ্যমে ওরা বাংলার কিছু জেলাকে বিহার এবং ওড়িশার সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারে। আমাদের মানুষের উপর তখন আরও বেশি অত্যাচার হবে। আমাদের সরকার ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করতে দেবে না। আমরা এনআরসি কার্যকর করতে দেব না। বিহারে ওরা প্রথমে ভোটারদের নাম বাদ দিয়েছে। এখন ওরা বলছে, এই মানুষগুলো রেশন পাবে না। তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হচ্ছে।’

একইসুরে খণ্ডঘোষের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মনে রাখবেন ১৫ তারিখে ওরা ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে আসছে। এর মানে জানেন? ওরা নিজেদের স্বার্থে বাংলাকে ভাগ করতে চায়। ওরা বোঝে না যে মানুষ অনেক কিছু ভাবে, কিন্তু হয় সেটাই যা ওপরওয়ালা চান। আপনারা এসব করলেও ২০২৬ সালে বিজেপি সরকার উল্টে যাবে—তারা-চাঁদ, মহাবিশ্ব এবং সারা দেশ তাই বলছে। বিজেপির সব কালাকানুন বাতিল করা হবে; আমরা গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোটের মাধ্যমে এর বদলা নেব।’
‘এই নির্বাচন হল মরণপণ লড়াই’
সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ‘এই নির্বাচন হল মরণপণ লড়াই। আমি বিজেপি এবং অন্যান্য দলের ভোটারদের কাছে অনুরোধ করব, যাতে তাঁরা অন্য কোনও দলকে ভোট না দেয়। এসআইআরের নামে বিজেপি বাংলার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ভয় দেখিয়ে এবং হুমকি দিয়ে ৯০ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'একদিকে ওরা ধর্মের কথা বলে, অন্যদিকে ওরা ৬০ লাখ হিন্দু ভোটারের নাম বাদ দিয়েছে। ৩০ লক্ষ মুসলিম ভোটারের নামও বাদ দেওয়া হয়েছে। তফশিলি জাতি ও তফশিলি জনজাতিদের উপর প্রতিদিন অত্যাচার চালানো হচ্ছে।’
অসুস্থ বয়স্কদেরও দাঁড়াতে হচ্ছে লাইনে, তোপ মমতার
সেই রেশ ধরে বিজেপিকে আক্রমণ শানিয়ে মমতা বলেন, 'বাংলায় কথা বলা কি আমাদের অনুপ্রবেশকারী বানিয়ে দেয়? আমরা সবাই এই দেশে জন্মেছি। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত যাঁরা বাংলাদেশ থেকে এসেছেন, তাঁরা ভারতের বৈধ নাগরিক। যাঁরা ২০২৪ সালে এসেছেন, তাঁরা বিজেপি করার কারণে নাগরিকত্ব পাচ্ছেন। অন্যদিকে, যাঁরা যুগ যুগ ধরে এখানে বাস করছেন, তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। বয়স্ক মানুষ যাঁরা অসুস্থ, তাঁদেরও নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


