Modi-Trump Talk Latest Update: রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আইন এবং সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারত হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে প্রথমবার কথা হল ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে তাঁদের নির্দিষ্টভাবে আমেরিকায় পাশ হওয়া রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আইন এবং পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। নয়াদিল্লির তরফে শুধু জানানো হয়েছে, মোদী এবং ট্রাম্পের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি-সহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। আলোচনায় উঠে এসেছে বিভিন্ন আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়। তাছাড়া বৈশ্বিক শান্তি এবং সুরক্ষার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
ট্রাম্পের সঙ্গে আলাপচারিতা নিয়ে কী বললেন মোদী?

মোদী বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি পর্যালোচনা করেছি আমরা। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। সেইসঙ্গে বিশ্বে শান্তি এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা-সহ আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে মত আদানপ্রদান করেছি আমরা।’
রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আইন নিয়ে কথা হয়েছে? জানানো হল না
অর্থাৎ নির্দিষ্টভাবে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আইন নিয়ে কথা হয়েছে কিনা, তা নয়াদিল্লির বিবৃতিতে যেমন জানানো হয়নি, তেমনই বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। যে আইন পাশ হয়ে গিয়েছে আমেরিকায়। ওই আইন অনুযায়ী, ইরান এবং রাশিয়ার থেকে যে দেশগুলি জ্বালানি কিনবে, তাদের উপরে ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপাতে পারবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার ফলে চাপ বৃদ্ধি পায় ভারতেরও। কারণ নয়াদিল্লি প্রচুর পরিমাণে অপরিশোধিত তেল কেনে রাশিয়া থেকে।
রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের
{{/usCountry}}রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের
{{/usCountry}}আর সেই পরিস্থিতিতে অবশ্য ভারতের তরফে কড়া বিবৃতি দেওয়া হয়। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়, ‘গত কয়েক মাসে আমেরিকার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে আমাদের। (এই আইনের ফলে) শুধুমাত্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, বরং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের উপরে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টিও একেবারে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে ভারত।’
আরও পড়ুন: Pakistani Captured: আরব সাগরে পাকড়াও ৫ পাকিস্তানি, নৌকায় ৩ হাজার কোটির মাদক, অ্যাকশনে ATS, ICG
পাকিস্তানি সন্ত্রাস নিয়ে আমেরিকাকে বার্তা জয়শংকরের
সেই টানাপোড়েনের মধ্যেই আমেরিকার বিরুদ্ধে উষ্মাপ্রকাশ করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, পাকিস্তান থেকে যে সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো হচ্ছে, তার প্রতি ‘সঙ্গী’ দেশ যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ না করে, তাহলে সেটা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর কথায়, 'আমাদের কাছে যে বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেটা নিয়ে যদি যথেষ্ট বোঝাপড়া, কদর বা সহানুভূতি না থাকে, আমার মনে হয় সেটাও একটা সমস্যা তৈরি করে। যেমন ধরুন, আমাদের অন্যতম প্রধান একটি বিষয় হল, যদি আমার সঙ্গী পুরোপুরি উপলব্ধি না করে বা বুঝতে পারে, তাহলে স্পষ্টতই তাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপর একটি প্রভাব পড়ে।’'