East Bengal draws in Jordan: ‘দেশের সম্মান যেখানে, ইস্টবেঙ্গল জ্বলে উঠবে সেখানে’ - এই লাইনটা সম্ভবত খুব ফিকে বা পুরনো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু’র গ্রুপ পর্বের অ্যাওয়ে ম্যাচে জর্ডনের মাঠে ইস্টবেঙ্গল যে কাজটা করল, তারপর ওই লাইনটা না বললে যেন লাল-হলুদ শিবিরের প্রত্যেক খেলোয়াড়, প্রত্যেক কোচ, প্রত্যেক সাপোর্ট স্টাফ, প্রত্যেক সমর্থকের প্রতি অবিচার করা হবে। বিশেষত পড়শি ক্লাব মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট যখন পরপর দু'বার যুদ্ধের কারণ দর্শিয়ে খেলতে যাইনি, তখন স্টেডিয়ামের অদূরের এলাকায় ইরানের মিসাইল হামলার মধ্যেই আম্মানের মাঠে নেমে জর্ডনের আল-হুসেইন ক্লাবের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করল ইস্টবেঙ্গল। তারপরও হতাশ হবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। কারণ ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েও এক পয়েন্টে সন্তুষ্ট থাকতে হল।
৯ মিনিটেই এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল

যদিও ঘরের মাঠে শুরুটা আক্রমণাত্মক করার চেষ্টা করেছিল আল-হুসেইন। লাল-হলুদ মশাল জ্বলে উঠতে অবশ্য নয় মিনিটের বেশি লাগেনি। নয় মিনিটে একটি লুজ বল থেকে শট নেন এডমুন্ড। তবে ভালো সেভ করেন জর্ডনের ক্লাবের গোলকিপার। কিন্তু ফিরতি বলে ডানি রামিরেজের জোরালো শট আছড়ে পড়ে হোম টিমের জালে।
সুবর্ণ সুযোগ মিস এডমুন্ডের, ২ মিনিট পরেই গোল ‘সুইট কিডের’
সেই গোল হজম করার পরে ইস্টবেঙ্গলকে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করে জর্ডনের ক্লাব। তবে আন্তোনিও হাবাস লোপেজের দলের ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি। তারইমধ্যে ৩৮ মিনিটে একেবারে সুবর্ণ সুযোগ ফস্কে দেন এডমুন্ড। সামনে শুধু ছিলেন গোলকিপার। কিন্তু তেকাঠিতেও বল রাখতে পারেননি ভারতীয় তারকা।
ব্যবধান কমায় জর্ডনের ক্লাব, মুহূর্মুহূ আক্রমণ
{{/usCountry}}ব্যবধান কমায় জর্ডনের ক্লাব, মুহূর্মুহূ আক্রমণ
{{/usCountry}}ওই হতাশার মুহূর্ত অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। কারণ দু'মিনিটের মধ্যেই লিড বাড়িয়ে ফেলে ইস্টবেঙ্গল। রামিরেজের কর্নার থেকে হেডে গোল করে যান 'সুইট কিড' আনোয়ার আলি। সেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়েই প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় ইস্টবেঙ্গল। যে ব্যবধানটা ৬১ মিনিটে কমিয়ে ফেলেন আল মারদি। তারপর মুহূর্মুহূ আক্রমণ করতে থাকে জর্ডনের ক্লাব। যে চাপের কাছে ৮৭ মিনিটে নতিস্বীকার করে ইস্টবেঙ্গল। খেলা শেষ হয় ২-২ গোলেই।
মোহনবাগানকে খোঁচা ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের
আর ইস্টবেঙ্গলের সেই পারফরম্যান্সের পরে মোহনবাগানকে কটাক্ষ করেছেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। কারণ যুদ্ধের কারণ দর্শিয়ে পরপর দু'বার ইরানে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু’র গ্রুপ পর্বের অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলতে যায়নি মোহনবাগান। প্রথমবার ঝুঁকিটা সত্যিই ছিল। কিন্তু দ্বিতীয়বার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেটা পুরোপুরি অজুহাত বলে কটাক্ষ করেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, ভয় পালিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান।