FIFA World Cup 2026 Champion: রেফারি নায্য গোল বাতিল করেছিল। তাও বিশ্বকাপ ফাইনালে রক্ষা হল না আর্জেন্তিনার। ১০৬ মিনিটে গোল করে স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতালেন ফেরান তোরেস। আর একেবারে যোগ্য দল হিসেবেই বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। কারণ গোলের দিকে লিওনেল মেসির দলের প্রথম শট আসে ম্যাচের ১১৫ তম মিনিটে। যা অবিশ্বাস্য বললেও কম বলা হবে না। যেটুকু যা ম্যাজিক দেখা গিয়েছে, সেটা মেসির পা থেকেই। বাকি সময়টা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা চরম হতাশাজনক ফুটবল খেলে। স্পেন যতক্ষণ না গোল করেছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আক্রমণ করার ইনটেন্টই দেখা যাচ্ছিল না আর্জেন্টিনার মধ্যে।
বিশ্বকাপ ফাইনালে রেকর্ড সেভ মার্টিনেজের
এতদূর অবশ্য ম্যাচটা এগোতেই না, যদি না স্টপেজ টাইমের একেবারে শেষ মিনিটে লামিন ইয়ামালের ফ্রি-কিক সেভ করতেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। সবমিলিয়ে নির্ধারিত সময় ১০টি সেভ করেন। যা বিশ্বকাপ ফাইনালে রেকর্ড। কিন্তু ফাইনাল থার্ডে আরও একটু ‘শার্প’ হলে বা ফিনিশিং ভালো করতে পারলে দ্বিতীয়ার্ধেই ম্যাচ বের করে নিতে পারত স্পেন। একাধিক সুযোগ পেয়েও মার্টিনেজের হাতে বা তাঁর শরীরের কাছেই মারেন ফেরান্দো তোরেসরা। সেখানে পুরো ৯০ মিনিটে গোলের দিকে একটিও শট মারতে পারেনি আর্জেন্টিনা।
জঘন্য ভুল রেফারির
তারপরও ছবিটা পালটায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ লগ্নে এনজো ফার্নান্দেজ যে লাল কার্ড দেখেন, সেটা আরও বিভীষিকা হয়ে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনার কাছে। এক্সট্রা টাইমের ৯৫ মিনিটে আর্জেন্টিনার জালে বল ঢুকিয়ে দেন নিকো উইলিয়ামস। কিন্তু বল জালে ঢোকার আগেই ফাউলের জন্য বাঁশি বাজিয়ে দেন রেফারি। তাঁর মতে, বক্সের মধ্যে মাইকেল মেরিনো 'ফাউল' করেন। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা গিয়েছে যে আর্জেন্টিনার তারকা নিকোলাস ওটামেন্ডির কার্যত এমনিই পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু ভারের মাধ্যমেও সেটা দেখা যায়নি। কারণ বল গোললাইন ক্রস করার আগেই বাঁশি বাজিয়ে দেন রেফারি।
{{/usCountry}}তারপরও ছবিটা পালটায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ লগ্নে এনজো ফার্নান্দেজ যে লাল কার্ড দেখেন, সেটা আরও বিভীষিকা হয়ে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনার কাছে। এক্সট্রা টাইমের ৯৫ মিনিটে আর্জেন্টিনার জালে বল ঢুকিয়ে দেন নিকো উইলিয়ামস। কিন্তু বল জালে ঢোকার আগেই ফাউলের জন্য বাঁশি বাজিয়ে দেন রেফারি। তাঁর মতে, বক্সের মধ্যে মাইকেল মেরিনো 'ফাউল' করেন। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা গিয়েছে যে আর্জেন্টিনার তারকা নিকোলাস ওটামেন্ডির কার্যত এমনিই পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু ভারের মাধ্যমেও সেটা দেখা যায়নি। কারণ বল গোললাইন ক্রস করার আগেই বাঁশি বাজিয়ে দেন রেফারি।
{{/usCountry}}তারপরও অবশ্য গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যান মেরিনো। ১০১ মিনিটে উইলিয়ামসের ক্রসটা একেবারে গোলের সামনে পেয়ে যান। কিন্তু ফ্রি হেডার তেকাঠিতে রাখতে পারেননি। তারপরও একাধিক সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। সবমিলিয়ে পুরো ম্যাচে ২০টি শট গোলে মারে। তেকাঠিতে ছিল ১১টি শট। কিন্তু ১০৬ মিনিটের আগে পর্যন্ত কিছুতেই জালে বড় জড়াতে পারছিল না স্পেন।
প্রথমার্ধ কীভাবে হয়েছে?
প্রথমার্ধের ছবিটাও সেরকম ছিল। স্পেনের আধিপত্য বা বল পজেশন বেশি ছিল। আর্জেন্টিনা অনেক বেশি ‘ম্যাজিক’ মুহূর্ত খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছিল। সেই রেশ ধরে ডান উইংয়ে লামিন ইয়ামালকে কড়া মার্কিংয়ে রাখেন লিওনেল স্কালোনির ছেলেরা। তাঁর উপর বেশ কড়া চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছিল। তারপরও একাধিক সুযোগ তৈরি করেন স্প্যানিশ টিনএজার।
দ্বিতীয় দল হিসেবে ৬০ বছরে বিশ্বকাপ ফাইনালে নজির আর্জেন্তিনার
কিন্তু ফাইনাল পাস ঠিক হচ্ছিল না। তার জেরে সেভাবে পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে। সবমিলিয়ে গোলের দিকে মোট তিনটি শট মারে স্পেন। দুটি শট তেকাঠিতে ছিল। আর্জেন্টিনা একটি শটও গোলে মারতে পারেনি। গত ৬০ বছরে দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথমার্ধে গোলমুখী কোনও শট মারতে পারেনি। তবে কয়েকবার ম্যাজিক মুহূর্ত তৈরির কাছাকাছি চলে এসেছিল। শেষপর্যন্ত তা রুখে দেন উনাই সিমোন, রড্রিরা। সবমিলিয়ে গোলশূন্যভাবে শেষ হয় প্রথমার্ধ।