FIFA World Cup 2026 Golden Boot Winner: অধরা থেকে গেল লিওনেল মেসির সেই ট্রফি। তৃতীয় স্থানাধিকারী ম্যাচে জোড়া গোলের সুবাদে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতে গেলেন ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপে। দ্বিতীয় স্থানে থাকলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। এমনিতে ১৯৩০ সাল থেকে বিশ্বকাপ শুরু হলেও ১৯৮২ সাল থেকে গোল্ডেন বুটের (২০১০ সাল থেকে গোল্ডেন বুট, আগে ছিল গোল্ডেন শ্যু) স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তবে ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ থেকেই সর্বোচ্চ গোলদাতাকে স্বীকৃতি দেওয়া হত। আর গোল্ডেন বুটের ধারণা চালু হওয়ার পর থেকে প্রথম ফুটবলার হিসেবে পরপর দু'বার সেই ট্রফি জিতলেন এমবাপে।
তৃতীয় স্থানাধিকারীর ম্যাচের ফারাক গড়েছে কবে কবে?

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অতীতে সাতজন গোল্ডেন বুট জয়ী খেলোয়াড় গোল করেছেন তৃতীয় স্থানাধিকারী (সবথেকে ঘৃণার ম্যাচ) ম্যাচে। তাঁদের মধ্যে চারজন আবার ওই ম্যাচে গোল করার সুবাদে গোল্ডেন বুট জিতেছেন। সেই তালিকায় আছেন জার্মানির থমাস মুলার (২০১০ সাল), ক্রোয়েশিয়ার ডাভোর সুকার (১৯৯৮ সাল), ইতালির টোটো শিলাচি (১৯৯০ সাল) এবং ব্রাজিলের লিওনিদাস ডা সিলভা (১৯৩৮ সাল)।
আবার ফ্রান্সের জুস্ত ফোঁতেন (১৯৫৮ সাল), পর্তুগালের ইউসেবিও (১৯৬৬ সাল) এবং পোল্যান্ডের গ্রজেগর্জ লাতো (১৯৭৪ সাল) তৃতীয় স্থানাধিকারী ম্যাচে গোল করেছিলেন। যাঁরা ওই ম্যাচে গোল না করলেও সংশ্লিষ্ট বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিততেন। এবার অবশ্য তৃতীয় স্থানাধিকারীর ম্যাচই ফারাক গড়ে দিল গোল্ডেন বুট রেসের। তবে মেসি নিশ্চিতভাবে এই গোল্ডেন বুটের থেকে কয়েকগুণ বেশি ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্নপূরণ হল না ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ীর।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা
{{/usCountry}}২০২৬ সালের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা
{{/usCountry}}১) কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স): গোল করেছেন ১০টি। ৪টি অ্যাসিস্টও করেছেন।
২) লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা): ৮টি গোল করেছেন। অ্যাসিস্ট করেছেন ৪টি।
৩) জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড): গোল করেছেন ৭টি। অ্যাসিস্ট করেছেন ১টি।
৪) আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে): ৭টি গোল করেছেন।
৫) উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স): ৬টি গোল করেছেন। অ্যাসিস্ট করেছেন ২টি।
৬) হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড): ৬টি গোল করেছেন। অ্যাসিস্ট করেছেন ১টি।
৭) মিকেল ওয়ারজাবাল (স্পেন): গোল করেছেন ৫টি। অ্যাসিস্টের সংখ্যা ১।
বিশ্বকাপ ফুটবলের গোল্ডেন বুট বিজয়ীদের তালিকা
১) ১৯৮২ সাল: পাওলো রোসি (ইতালি, ৬ গোল)।
২) ১৯৮৬ সাল: গ্যারি লিনেকার (ইংল্যান্ড, ৬ গোল)।
৩) ১৯৯০ সাল: টোটো শিলাচি (ইতালি, ৬ গোল)।
৪) ১৯৯৪ সাল: ওলেগ সালেঙ্কো (রাশিয়া) এবং হ্রিস্টো স্টইচকভ (বুলগেরিয়া) -৬ গোল।
৫) ১৯৯৮ সাল: ডাভোর সুকার (ক্রোয়েশিয়া, ৬ গোল)।
৬) ২০০২ সাল: রোনাল্ডো (ব্রাজিল, ৮ গোল)।
৭) ২০০৬ সাল: মিরোস্লাভ ক্লোজে (জার্মানি, ৫ গোল)।
৮) ২০১০ সাল: থমাস মুলার (জার্মানি, ৫ গোল - বেশি অ্যাসিস্টের সুবাদে জয়)।
৯) ২০১৪ সাল: হামেস রদ্রিগেজ (কলম্বিয়া, ৬ গোল)।
১০) ২০১৮ সাল: হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড, ৬ গোল)।
১১) ২০২২ সাল: কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স, ৮ গোল)।
১২) ২০২৬ সাল: কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স, ১০ গোল)।