Gujarat municipal election 2026 result: রাজনৈতিক দিক থেকে গুজরাটকে বিজেপির এক অপরাজেয় দুর্গ হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক গুজরাট পুরসভা নির্বাচনের ফলাফল সেই দুর্গে কিছুটা হলেও কম্পন ধরিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের এই খাসতালুকে এবার অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি যেমন প্রভাব ফেলেছে, তেমনই নাটকীয়ভাবে খাতা খুলেছে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিম। যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ এই নির্বাচনকে ২০২৭ সালের গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের 'লিটমাস টেস্ট' বা অ্যাসিড টেস্ট হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। সেইসঙ্গে ওই নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা।
গুজরাটের নির্বাচনের পরে বিজেপি সমর্থকরা। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
সমাজবাদী পার্টির দাপট: পোরবন্দর ও খেড়ায় ছুটল 'সাইকেল'
ফলাফল অনুযায়ী, কুটিয়ানা পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী রোভিবেন কানভাই রায়গা বড়সড় জয় পেয়েছে। পোরবন্দর জেলার কুটিয়ানা ছিল বিধায়ক কান্ধল জাদেজার জন্য এক প্রেস্টিজ ফাইট। বিজেপি এবং কংগ্রেস এখানে তাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করলেও কান্ধলের রাজনৈতিক কৌশলের সামনে ধরাশায়ী হয়েছে তারা। শুধু কুটিয়ানা নয়, খেড়া জেলার কাঠলাল পুরসভাতেও সমাজবাদী পার্টি তাদের শক্তিশালী উপস্থিতি জানান দিয়েছে। কাঠলালের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জিতেছেন সপা প্রার্থী।
সবচেয়ে বড় চমক দেখা গিয়েছে কচ্ছের ভুজে। আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল AIMIM প্রথমবারের মতো ভুজ পুরসভায় খাতা খুলেছে। ১ নম্বর ওয়ার্ডে দলের তিন প্রার্থী— সরফরাজ, মুখতার এবং রোশন বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় মিমের এই প্রবেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংখ্যালঘু প্রধান এলাকায় ভোটাররা এখন প্রথাগত দল ছেড়ে নতুন বিকল্প খুঁজতে শুরু করেছেন।
{{/usCountry}}
{{#usCountry}}
সবচেয়ে বড় চমক দেখা গিয়েছে কচ্ছের ভুজে। আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল AIMIM প্রথমবারের মতো ভুজ পুরসভায় খাতা খুলেছে। ১ নম্বর ওয়ার্ডে দলের তিন প্রার্থী— সরফরাজ, মুখতার এবং রোশন বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় মিমের এই প্রবেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংখ্যালঘু প্রধান এলাকায় ভোটাররা এখন প্রথাগত দল ছেড়ে নতুন বিকল্প খুঁজতে শুরু করেছেন।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এই স্থানীয় নির্বাচনকে ২০২৭ সালের গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের 'লিটমাস টেস্ট' বা অ্যাসিড টেস্ট হিসেবে দেখছেন। বিজেপি কি ২০২১ সালের মতো তাদের ঐতিহাসিক জয় ধরে রাখতে পারবে? নাকি কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টি (AAP) গ্রামীণ ও শহরতলির ভোটে থাবা বসাবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।