BJP dominance prediction: বিজেপির এরকম রাজনৈতিক দাপট থাকবে কত বছর? বাংলা দখলের পরই বড় পূর্বাভাস দেওয়া হল
BJP dominance prediction: ২০১৪ সাল থেকে বিজেপির যে রাজনৈতিক দাপট শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রাজ্যেও খাতা খুলেছে। ইতিহাস গড়ে ক্ষমতা দখল করেছে পশ্চিমবঙ্গে। তারইমধ্যে বিজেপির আধিপত্য নিয়ে বড় পূর্বাভাস করা হল।
BJP dominance prediction: দেশের রাজনীতি কোন দিকে মোড় নিতে চলেছে? ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে এই প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। এই আবহে ভারতীয় রাজনীতিতে বড় পূর্বাভাস দিলেন দেশের অন্যতম শীর্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং নির্বাচনী সমীক্ষা সংস্থা ‘অক্সিস মাই ইন্ডিয়া’-র প্রধান প্রদীপ গুপ্তা। তাঁর দাবি, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে দেশে বিজেপির যে রাজনৈতিক আধিপত্য বা দাপটের যুগ শুরু হয়েছিল, তা কম করে আরও ২০ বছর স্থায়ী হতে পারে। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের সাক্ষাৎকারে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাঁর মতে, কংগ্রেস যেভাবে অতীতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ভারতীয় রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল, বর্তমান যুগে বিজেপিও ঠিক সেই জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। সেখান থেকে সহজে ক্ষমতাচ্যুত করা যাবে না।
কংগ্রেসের সুবর্ণ যুগের সঙ্গে তুলনা
শতাব্দীপ্রাচীন দল কংগ্রেসের উদাহরণ টেনে প্রদীপ বলেন, ‘রাজনীতিতে প্রতিটি বিষয়ের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। অতীতে স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে কংগ্রেস ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত দেশে একচ্ছত্র শাসন চালিয়েছিল। তারপর থেকে তাদের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। সেই সময়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করতেন, রাজনীতিতে একটি নির্দিষ্ট প্রজন্মের রাজত্ব বা প্রভাব সাধারণত ২০ বছর স্থায়ী হয়। বর্তমান সময়েও সেই ২০ বছরের চক্র বা ট্রেন্ড সমানভাবে কার্যকর রয়েছে।’
সবটাই নির্ভর করছে পারফরম্যান্সের ওপর
তবে এই দাপট ধরে রাখতে গেলে শাসক দলকে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে। প্রদীপ স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে বিজেপির এই টানা ২০ বছরের জয়যাত্রা কেবল ফাঁকা পূর্বাভাসের ওপর টিকে থাকবে না। শাসক জোট এনডিএ এবং বিরোধী জোটের উভয়ের ভবিষ্যৎই নির্ভর করছে বর্তমান সরকারের কাজের খতিয়ান বা পারফরম্যান্সের ওপর।
তিনি বলেন, ‘জনগণের কাছ থেকে এত বড় জনসমর্থন পাওয়ার পরে স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির প্রতি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী হয়ে গিয়েছে। তাই বিজেপি এবং এনডিএকে এখন আগের চেয়েও অনেক গুণ বেশি ভালো কাজ করে দেখাতে হবে। যতদিন পর্যন্ত শাসকদলের পারফরম্যান্স অত্যন্ত খারাপ বা দুর্বল না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত তারা নির্বাচনে জিতে যাবে এবং বিরোধীরা পরাজয়ের সম্মুখীন হতে থাকবে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


