Watermelon Tips: গরমের দাবদাহ থেকে বাঁচতে এক ফালি রসালো লাল তরমুজের জুড়ি নেই। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে এবং ক্লান্তি দূর করতে তরমুজ আমাদের প্রথম পছন্দ। কিন্তু আপনার পছন্দের এই ফলটি কি আপনার অজান্তেই শরীরের ক্ষতি করছে? বর্তমানে বাজারের চাহিদা মেটাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা তরমুজকে দ্রুত পাকাতে এবং টকটকে লাল দেখাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ও ইনজেকশন ব্যবহার করছে। এই ইনজেকশন দেওয়া তরমুজ খেলে ফুড পয়জনিং থেকে শুরু করে পেটের মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। তাই পরিবারের সুরক্ষায় তরমুজ কেনার আগে বা খাওয়ার আগে তা পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। আসল ও নকল তরমুজ চেনার তিনটি কৌশল দেখে নিন।
টিস্যু পেপার টেস্ট (সবচেয়ে সহজ উপায়)

তরমুজ কাটার পর এক টুকরো লাল অংশ নিন। এবার একটি সাদা পরিষ্কার টিস্যু পেপার নিয়ে ওই লাল অংশের ওপর আলতো করে চেপে ধরুন।
ফলাফল: যদি টিস্যু পেপারের রং গাঢ় লাল বা কমলা হয়ে যায়, তবে বুঝবেন এতে কৃত্রিম রং (যেমন ইরিথ্রোসিন) মেশানো হয়েছে। যদি টিস্যু পেপারে সামান্য জলীয় ভাব থাকে কিন্তু কোনো রং না লাগে, তবে সেটি প্রাকৃতিক উপায়ে পাকা আসল তরমুজ।
জলের গ্লাসে পরীক্ষা
তরমুজের ছোটো একটি টুকরো এক গ্লাস সাধারণ জলের মধ্যে দিয়ে দিন। ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
ফলাফল: যদি জলটি ধীরে-ধীরে লাল হতে শুরু করে, তবে নিশ্চিত থাকুন এতে রং ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রাকৃতিক রঙের জল সহজে রঙিন হয় না, কিন্তু কৃত্রিম রাসায়নিক রং জলে দ্রুত মিশে যায়।
বাহ্যিক গঠন ও বীজের রঙ পর্যবেক্ষণ
১) হলুদ দাগ: তরমুজের গায়ে যদি বড় একটি হলুদ রঙের ছোপ (Field Spot) থাকে, তবে বুঝবেন সেটি খেতে মিষ্টি এবং প্রাকৃতিকভাবে গাছে পেকেছে। কিন্তু পুরো তরমুজ যদি একদম গাঢ় সবুজ হয় এবং কোনও হলুদ ছোপ না থাকে, তবে তা কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হতে পারে।
{{/usCountry}}১) হলুদ দাগ: তরমুজের গায়ে যদি বড় একটি হলুদ রঙের ছোপ (Field Spot) থাকে, তবে বুঝবেন সেটি খেতে মিষ্টি এবং প্রাকৃতিকভাবে গাছে পেকেছে। কিন্তু পুরো তরমুজ যদি একদম গাঢ় সবুজ হয় এবং কোনও হলুদ ছোপ না থাকে, তবে তা কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হতে পারে।
{{/usCountry}}২) সাদা বীজ ও লাল শাঁস: তরমুজটি ভিতর থেকে টকটকে লাল হয়। কিন্তু তার বীজগুলো একদম সাদা বা অপরিণত হয়, তবে এটি ইনজেকশন দেওয়ার বড় লক্ষণ। প্রাকৃতিকভাবে পাকা লাল তরমুজের বীজ সাধারণত কালো বা কালচে খয়েরি রঙের হয়।
আরও পড়ুন: PPF Pension Planning: PPF-তে কীভাবে বিনিয়োগ করলে মাসে ৬১,০০০ টাকা পেনশন মিলবে? রইল পুরো হিসাব
৩) গর্ত বা ছিদ্র: তরমুজের খোসায় যদি ছোট কোনো ছিদ্র বা কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় অস্বাভাবিক নরম ভাব লক্ষ্য করেন, তবে বুঝবেন সেখান দিয়েই হয়তো সিরিঞ্জ চালানো হয়েছে।
কেন ক্ষতিকর এই 'নকল' তরমুজ?
ব্যবসায়ীরা সাধারণত 'লেড ক্রোমেট', 'মেথানিল ইয়েলো' বা 'সুদান রেড'-এর মতো বিষাক্ত রং এবং 'অক্সিটোসিন' ইনজেকশন ব্যবহার করে। এগুলো নিয়মিত শরীরে প্রবেশ করলে লিভারের সমস্যা, কিডনির ক্ষতি এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। শিশুদের জন্য এই রাসায়নিকগুলো আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।