...
...
Next Story

NZ Captain on T20 World Cup 2026 Final: ১৯ নভেম্বরের ‘অভিশাপ’ উস্কে দিলেন NZ অধিনায়ক, অনুভব করতে চান কামিন্সের 'রোমাঞ্চ'

২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বরের অভিশাপ কি ঘুচে যাবে ২০২৬ সালের ৮ মার্চ? নাকি ১৯ নভেম্বরের অভিশাপ বয়ে বেড়াতে হবে ২০২৬ সালেও? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগেরদিন সেই অভিশাপ উসকে দিলেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার।

Published on: Mar 7, 2026, 17:35:31 IST
Advertisement

২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর - সেই অভিশপ্ত দিনটা, ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের অভিশপ্ত ফাইনালের স্মৃতি এখনও টাটকা ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে। আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে এক লাখের বেশি নীল জার্সির দর্শককে স্তব্ধ করে দিয়ে ট্রফি ছিনিয়ে নিয়েছিল প্যাট কামিন্সের অস্ট্রেলিয়া। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালের আগে ঠিক সেই ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চান নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। ভারতের মাটিতে ভারতকে হারিয়ে ট্রফি জেতা এবং গ্যালারির লক্ষাধিক দর্শককে ‘খামোশ’ করে দেওয়াই এখন কিউয়ি ব্রিগেডের পাখির চোখ।

প্যাট কামিন্সের পথেই স্যান্টনার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের আগেরদিন আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মিচেল স্যান্টনার। (ছবি সৌজন্যে এএফপি)
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের আগেরদিন আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মিচেল স্যান্টনার। (ছবি সৌজন্যে এএফপি)

ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে মিচেল স্যান্টনারকে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছে। যখন তাঁকে ভারতীয় দর্শকদের উন্মাদনা এবং ১৪০ কোটি মানুষের প্রত্যাশার চাপ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, স্যান্টনার স্পষ্ট জানান, 'প্যাট কামিন্স যা করেছিলেন, তা সত্যিই অতুলনীয়। ঘরের মাঠে গ্যালারি ভর্তি দর্শকদের স্তব্ধ করে দেওয়ার মধ্যে একটা আলাদা রোমাঞ্চ আছে। আমাদের লক্ষ্যও ঠিক তাই। ভারতের মাটিতে ভারতকে হারানো কঠিন চ্যালেঞ্জ। কিন্তু ট্রফি জেতার জন্য যদি আমায় আরও একবার কয়েক কোটি মানুষের হৃদয় ভাঙতে হয়, তাতে আমার কোনও আপত্তি নেই।'

আরও পড়ুন: WB Teachers' 5th Pay commission DA: 'শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া DA দেবে না রাজ্য', প্রকাশ্যে রিপোর্ট, এবার কী হবে?

চাপ এখন ভারতের ওপর

আরও পড়ুন: Local Trains Cancelled in Howrah-Sealdah: হাওড়া, শিয়ালদা থেকে ৪০ লোকাল ট্রেন বাতিল; তালিকায় বর্ধমান, ডানকুনিও; কোনগুলো?

দক্ষিণ আফ্রিকার জয় থেকে আত্মবিশ্বাস

সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা নিউজিল্যান্ড এখন ফুটছে। বিশেষ করে ওপেনার ফিন অ্যালেনের বিধ্বংসী ফর্ম কিউয়ি শিবিরকে ভরসা দিচ্ছে। স্যান্টনারের মতে, পাওয়ার প্লে-তে উইকেট নেওয়াটাই হবে আসল চাবিকাঠি। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘ভারতের ব্যাটিং লাইন-আপ অত্যন্ত গভীর। যদি আমরা শুরুর দিকে উইকেট না পাই, তবে ওরা ২৫০ রানও তুলে দিতে পারে। আমাদের লক্ষ্য হবে পাওয়ার প্লে-তে আক্রমণাত্মক বোলিং করা।’

আরও পড়ুন: WB Trains Cancellation on 8th March: বাংলায় ১১ মেমু ও ডেমু ট্রেন বাতিল রবিবার! পুরো যাবে না এই এক্সপ্রেস, রইল তালিকা

ইতিহাস বনাম বর্তমান

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের সাম্প্রতিক দ্বিপাক্ষিক সিরিজে নিউজিল্যান্ড ৪-১ ব্যবধানে হারলেও, স্যান্টনারের দাবি, ওই সিরিজ থেকে তারা অনেক শিক্ষা নিয়েছেন। ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে স্নায়ুর চাপ যারা বেশি সামলাতে পারবে, শেষ হাসি তারাই হাসবে। রবিবার আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে কিউয়িরা কি পারবেন প্যাট কামিন্সের মতো ইতিহাস গড়তে, নাকি সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়া বিশ্বসেরার মুকুট ধরে রাখবে— এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেট বিশ্ব।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe