পাকিস্তানে ‘আগামী ৫০ বছরে’ ভারতের হানার সম্ভাবনা নাকি কম! আশা LeTর, লাহোরের জঙ্গি-সভা ঘিরে শরিফদের মিথ্যার বেলুন ফুটো
কাশ্মীর ইস্যুকে সামনে রেখে পহেলগাঁওতে জঙ্গি হানার মাস্টারমাইন্ড কসুরি কী বলেছে?
পাকিস্তানের লাহোরের বুকে সদ্য, পাকিস্তানি মরকজি মুসলিম লিগ (পিএমএমএল) এক সভা আয়োজন করে পাকিস্তানের লোহারে। এই রাজনৈতিক দল, লস্কর ই তৈবার জঙ্গি নেতা হাফিজ সইদের সমর্থনে পুষ্ট! রিপোর্ট বলছে, এই সভায় উপস্থিতি ছিল পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড সইফুল্লা কসুরির। কসুরি, লস্কর ই তৈবার ডেপুটি চিফও!

লাহোরের বুকে এই জঙ্গিদের সমাবেশ, ফের একবার প্রমাণ করল, ইসলামাবাদের সন্ত্রাস-সমর্থনের প্রসঙ্গকে। ইসলামাবাদ বহুবারই দাবি করে এসেছে, সেদেশের মাটিতে সন্ত্রাসী শিবির নেই। যদিও এককালে পাকিস্তানের অ্যাবোতাবাদ থেকেই সন্ত্রাসী লাদেনকে খুঁজে পায় আমেরিকা! এবার লাহোরের বুকে দাপটে, লস্করের নেতা সমর্থিত পিএমএমএল আয়োজন করল সভার! হল তার লাইভ সোশ্যাল মিডিয়া-ভিডিও। ফলত, পাকিস্তানের বুকে সন্ত্রাস লালিত হয়না, ইসলামাবাদের এমন মিথ্যাচারের দাবির বেলুন ফের একবার ফেঁসে গেল হল!
( Bangladesh BPL: আজব কাণ্ড! বাংলাদেশে ট্রফি ছাড়াই উদ্বোধন হয়ে গেল বিপিএল! কী ঘটেছে?)
(Jaishankar in Dhaka:তারেকের হাতে কোন চিঠি পৌঁছে দিলেন জয়শংকর? EAMর মুখোমুখি হলেন পাক স্পিকার, এরপর.. )
এই সভা থেকে কসুরির কণ্ঠে একাধিক হুমকি উড়ে আসে ভারতকে লক্ষ্য করে। সভায় একজন কসুরিতে প্রশ্ন করে, ভারতের থেকে তাদের জঙ্গি শিবির টার্গেট করে আসা আশঙ্কা ঘিরে। উত্তরে জঙ্গিনেতা কাসুরি বলে,' ভারতের ফাঁকা হুমকি নিয়ে চিন্তা করো না। আমরা ইতিমধ্যেই ভারতকে মারাত্মক আঘাত দিয়েছি, যার ফলে আগামী ৫০ বছর ধরে আমাদের উপর আক্রমণ করার কথা ভাবার সম্ভাবনা কম।' এমনই আশা রয়েছে পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈবার ডেপুটির! সদর্পে সেই সভায় জঙ্গি লস্করের শিবিরের ডেপুটি কসুরি বলছে, পৃথিবী এদিক থেকে ওদিক হয়ে গেলেও তারা তাদের ‘লক্ষ্য থেকে’ সরবে না। সাফ ভাষায় কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলে কসুরি বলছে,' আমরা আমাদের কাশ্মীর মিশন থেকে কখনও পিছপা হব না।' তার আরও দাবি, কাশ্মীর, অমৃতসর, হোশিয়ারপুর, গুরুদাসপুর, জুনাগড়, মুনাবাদরের কিছু অংশ, হায়দরাবাদ, দাক্ষিণাত্য, বাংলা এবং পাকিস্তানের কিছু অংশ ইসলামাবাদ থেকে ‘কেড়ে নেওয়া’ হয়েছিল। এমন বার্তাকে উস্কানিমূলক হিসাবেই দেখা হচ্ছে। এছাড়াও লস্করের সন্ত্রাসী আদর্শকে কাশ্মীর ছাড়িয়ে বাকি এলাকাতেও ছড়িয়ে দেওয়ার ফন্দি বলে এই ধরনের বক্তব্যকে মনে কর হচ্ছে।












