India-Bangladesh Relation: পাকের গণহত্যা নিয়ে তারেক সবর হওয়ার পরই ভারত-সম্পর্ক ভালো করার বার্তা বাংলাদেশের
বুধবার পাকিস্তানের চালানো গণহত্যা নিয়ে সরব হন তারেক রহমান। আর বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অনুষ্ঠানে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার বার্তা দিল ঢাকা। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের যে মনোবাঞ্চা ছিল, তাতে জল ঢেলে দিল বাংলাদেশ।
বুধবার পাকিস্তানের চালানো গণহত্যা নিয়ে সরব হন তারেক রহমান। আর বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অনুষ্ঠানে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার বার্তা দিল ঢাকা। মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে নয়াদিল্লি এবং ঢাকার সম্পর্কের মধ্যে যে শৈত্য ও বৈরিতা তৈরি হয়েছিল, সেটা কাটিয়েই এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে। আর পরপর দু'দিন বাংলাদেশের সেই বার্তা ভারতকে স্বস্তি দেবে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের যে মনোবাঞ্চা ছিল, তাতে জল ঢেলে দিল বাংলাদেশ।

আর সেই গুরুত্বপূর্ণ মোড় এসেছে এমন একটা সময়, যখন বাংলাদেশ ৫৬ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। পাকিস্তানের অত্যাচার থেকে রক্ষা করে স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের জন্য ভারত যে ভূমিকা পালন করেছিল, সেজন্য নয়াদিল্লির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ঢাকা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মাটিতে জীবন উৎসর্গ করা ১,৬৬৮ জন ভারতীয় জওয়ানকে শ্রদ্ধা জানান নয়াদিল্লিতে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লা। সেইসময় পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, উত্তর-পূর্ব ভারত-সহ পুরো ভারতের মানুষ যেভাবে বাংলাদেশের পাশে সবরকমভাবে দাঁড়িয়েছিলেন, সেজন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: পেট্রোল ও ডিজেলের শুল্ক ১০ টাকা কমিয়ে দিল কেন্দ্র, যুদ্ধের আবহে কলকাতায় দর কত?
তিনি জানান, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আছে, তা অত্যন্ত বিরল। দু'দেশের সম্পর্ক শুধুমাত্র একটি দিক নির্ভর নয়। বিভিন্ন দিক থেকে জুড়ে আছে দু'দেশ। নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে 'সংবেদনশীল' বিষয়গুলির সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধানের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও গভীর করে তোলার বার্তা দেন। সেই রেশ ধরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিক ঘটক, পণ্ডিত রবিশংকর, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান, জুবিন গর্গদের কথাও বলেন।
আর সেই সৌহার্দ্যের বার্তা ফুটে ওঠে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংয়ের গলায়। তিনি জানান, বাংলাদেশের নয়া সরকারকে অত্যন্ত উষ্ণভাবে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে ভারত। বাংলাদেশের সঙ্গে 'বহুমুখী সম্পর্ককে আরও গভীর করার জন্য নতুন প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার' বিষয়ে ভারত মুখিয়ে আছে বলে জানিয়েছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


