Kolkata girl shines in Math Olympiad: অঙ্কের অলিম্পিয়াডে বাজিমাত করেছেন কলকাতার কিশোরী - তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কলকাতার ১৬ বছরের শ্রীময়ী বেরার সঙ্গে ভারতের চার সদস্যের অলিম্পিয়াড দলের প্রশংসা করেন। যে দলে ছিলেন মুম্বইয়ের ১৬ বছরের শ্রেয়া শান্তনু মুগড়া, তিরুবনন্তপুরমের ১৭ বছরের সঞ্জনা চাকো এবং চেন্নাইয়ের ১৭ বছরের শিবানী ভরত কুমার। তাঁদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে সেই ইউরোপিয়ান গার্লস ম্যাথেমেটিকাল অলিম্পিয়াডে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে ভারত। যা ভারতের সেরা পারফরম্যান্স।
এত কঠিন পরিস্থিতি, তাতেই বাজিমাত ভারতীয় কিশোরীদের

তাঁদের সেই পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, ‘কল্পনা করুন, আপনারা বিশ্বের সবথেকে প্রতিভাবান মানুষদের মধ্যে আছেন, আপনাকে অঙ্কের অত্য়ন্ত জটিল প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে আর সেগুলি সমাধানের জন্য আপনার হাতে মাত্র সাড়ে চার ঘণ্টা আছে। অর্থাৎ সময় অনেকটাই কম এবং প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক মানের। ফলে লড়াইটা কঠিন। এরকম পরিস্থিতিতে নার্ভাস হওয়া খুব স্বাভাবিক। কিন্তু এরকম পরিস্থিতিতে আমাদের মেয়েরা দুর্ধর্ষ ফলাফল করেছে।’
‘প্রতিভাবান দলকে নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত’
কিশোরী দলের প্রতি গর্ববোধ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই অলিম্পিয়াডে (ইউরোপিয়ান গার্লস ম্যাথেমেটিকাল অলিম্পিয়াড) আমাদের মেয়েরা এখনও পর্যন্ত সবথেকে সেরা পারফরম্যান্স করেছে। এই প্রতিভাবান দলকে নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত।’ সেইসঙ্গে মোদী জানিয়েছেন, শ্রেয়া সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছেন। সঞ্জনা জিতেছেন রুপো। ব্রোঞ্জ পেয়েছেন শিবানী।
কীভাবে অলিম্পিয়াড দলে নির্বাচন করা হয়?
{{/usCountry}}কীভাবে অলিম্পিয়াড দলে নির্বাচন করা হয়?
{{/usCountry}}আর শ্রীময়ীরা যে নজির গড়েছেন, সেটা যে স্রেফ মুখের নয়, তাও ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ইউরোপিয়ান গার্লস ম্যাথেমেটিকাল অলিম্পিয়াডে জায়গা করে নেওয়ার জন্য ভারতে যে নির্বাচন প্রক্রিয়া হয়, সেটা মারাত্মক কঠিন। একাধিক স্তরের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের। আঞ্চলিক, রাজ্য এবং জাতীয় স্তরের নির্বাচন প্রক্রিয়ার আয়োজন করা হয়।
সেইসব ধাপে যে ছাত্রীরা সবথেকে ভালো পারফরম্যান্স করেন, তাঁদের এক মাসের বিশেষ শিবিরে যোগ দিতে হয়। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের হোমি ভাবা সেন্টার ফর সায়েন্স এডুকেশনে সেই শিবির চলে। সেই শিবিরের শেষে তিনটি সিলেকশন টেস্ট হয়। সেটার ভিত্তিতেই ভারতীয় দল বেছে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, প্রতি বছর কমপক্ষে ছয় লাখ পড়ুয়া সেই অলিম্পিয়াড প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন। আর সেই প্রক্রিয়া নিয়ে উন্মাদনা ক্রমশ বাড়ছে।