Indian Missile Export and Fighter Jet: যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য ভারতে আরও কারখানা খোলার আহ্বান জানালেন প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ সিং। পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ফোরাম অফ ইন্ডিয়ার (PAFI) একটি অনুষ্ঠানের মধ্যেই তিনি বলেছেন, ‘এই দেশে যুদ্ধবিমান বা ফাইটার জেট তৈরির দ্বিতীয় প্রোডাকশন লাইন স্থাপন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। যাতে শুধুমাত্র একটি প্রোডাকশন লাইনের উপরে নির্ভরশীলতার কারণে আমাদের হাত-পা বাঁধা না পড়ে যায়।’

এমনিতে ভারতে বর্তমান যুদ্ধবিমান তৈরি করে থাকে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)। নাসিক এবং বেঙ্গালুরুর কারখানায় তৈরি করা হয় যুদ্ধবিমান (হাতে থাকা যুদ্ধবিমান উন্নতও করা হয় নাসিকে)। সেই পরিস্থিতিতে অন্য সংস্থাও যাতে যুদ্ধবিমানের কারখানা তৈরি করে, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।
AMCA নিয়ে আশাবাদী ভারত সরকার
আর সেক্ষেত্রে AMCA-র (অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফট) দিকে তাকিয়ে আছে ভারত সরকার। ভারতের নিজস্ব সেই স্টেলথ ফাইটার জেট তৈরির জন্য প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সংস্থা। প্রতিরক্ষা সচিব জানিয়েছেন, অ্যামকা নিয়ে একগুচ্ছ প্রস্তাব জমা পড়েছে। প্রাথমিকভাবে বাছাই হওয়া তিনটি সংস্থার প্রস্তাবপত্র খুঁটিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।
৫০,০০০ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা রফতানির টার্গেট
তারইমধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে রফতানি আরও বাড়ানোর উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা সচিব। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি বেড়ে ৩৮,৪২৪ কোটি টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। আর খুব দ্রুত সেটা ৫০,০০০ কোটি টাকায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আপাতত যে গতি আছে, তাতে ২০২৮ সাল বা ২০২৯ সাল নাগাদ সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হতে পারে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন প্রতিরক্ষা সচিব।
{{/usCountry}}তারইমধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে রফতানি আরও বাড়ানোর উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা সচিব। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি বেড়ে ৩৮,৪২৪ কোটি টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। আর খুব দ্রুত সেটা ৫০,০০০ কোটি টাকায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আপাতত যে গতি আছে, তাতে ২০২৮ সাল বা ২০২৯ সাল নাগাদ সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হতে পারে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন প্রতিরক্ষা সচিব।
{{/usCountry}}ব্রহ্মস মিসাইল থেকে আকাশ- হুড়োহুড়ি বিদেশের বাজারে
সেটার ক্ষেত্রে সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস, আকাশ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মতো অস্ত্রের দিকে তাকিয়ে আছে ভারত। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে প্রতিরক্ষা সচিব জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে রফতানির জন্য ভারতের হাতে সবথেকে পরিচিত যে অস্ত্র আছে, সেটা হল ব্রহ্মস মিসাইল। ইতিমধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একাধিক দেশকে সেই ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করা হচ্ছে বা বিক্রির পর্যায়ে আছে। তাছাড়া কামান এবং মাউন্টেড গান সিস্টেমের মতো অস্ত্রেরও রফতানি বাড়ছে। আকাশ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল নিয়েও বিভিন্ন দেশের তরফে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।
ভারতের প্রতিরক্ষা বাজারের USP কী?
প্রতিরক্ষা সচিবের মতে, প্রতিরক্ষা সামগ্রী রফতানির ক্ষেত্রে ভারতের সবথেকে সুবিধার জায়গা হল যে অনেক সস্তায় পাওয়া যায়। বিদেশি সংস্থাগুলি যে টাকায় মিসাইল বিক্রি করে, তার প্রায় এক-চতুর্থাংশ টাকায় (২৫ শতাংশ দামে এবং ৭৫ শতাংশ কম দামে) ভারত মিসাইল রফতানি করে থাকে। ফলে যত বাজার খুলে দেওয়া হবে, তত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে লাফিয়ে-লাফিয়ে ভারতের রফতানি বাড়বে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা সচিব।