...
...
Next Story

Modi beats Trump: বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় নেতা মোদীই! অনেক পিছিয়ে ট্রাম্পও, উঠে এল মার্কিন সমীক্ষায়

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে ফের নির্বাচিত হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আমেরিকান সমীক্ষায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বড় ব্যবধানে হারালেন তিনি। জানুন মোদীর এই অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্যের কারণ।

Published on: Mar 25, 2026 09:54 PM IST
Advertisement

বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের প্রভাব যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার আরও একটি বড় প্রমাণ মিলল সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রথমসারির সমীক্ষা সংস্থা পরিচালিত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাষ্ট্রনেতাদের তালিকায় ফের শীর্ষস্থান দখল করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো তাবড়-তাবড় বিশ্বনেতারা মোদীর জনপ্রিয়তার ধারেকাছেও আসতে পারেননি।

সমীক্ষার ফলাফল কী বলছে?

জনপ্রিয়তার নিরিখে ট্রাম্পকে হারালেন মোদী। (ছবিটি ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি)
জনপ্রিয়তার নিরিখে ট্রাম্পকে হারালেন মোদী। (ছবিটি ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি)

আমেরিকান ইন্টেলিজেন্স সংস্থা 'মর্নিং কনসাল্ট' (Morning Consult)-এর সাম্প্রতিকতম রিপোর্ট অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদীর অ্যাপ্রুভাল রেটিং বা গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বের সমস্ত বড় গণতান্ত্রিক দেশের নেতাদের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই সমীক্ষায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ঝুলিতে এসেছে ৬৮ শতাংশ রেটিং। যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনেক পিছিয়ে আছেন। তাঁর রেটিং হল ৩৯ শতাংশের মতো। যা প্রায় মোদীর অর্ধেক। ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রধানদের অবস্থাও এই তালিকায় বেশ নিচের দিকে।

আরও পড়ুন: RG Kar Victim mother in BJP List: পানিহাটিতে BJP প্রার্থী RG করের নির্যাতিতার মা, উত্তরপাড়ায় প্রাক্তন NSG কমান্ডো

কেন এত জনপ্রিয় নরেন্দ্র মোদী?

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মোদীর এই অভাবনীয় সাফল্যের পিছনে রয়েছে তাঁর শক্তিশালী নেতৃত্ব এবং ভারতের নীতি। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থান তাঁকে বিশ্বনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে গত কয়েক বছরের বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মতো প্রকল্পগুলো সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশংসা কুড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই ভারতে রেকর্ড গড়েছেন মোদী। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে এক অভূতপূর্ব মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তিনি টানা ৮,৯৩১ দিন (প্রায় ২৪ বছর ৫ মাস) সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম মেয়াদের নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেন। এই দীর্ঘ যাত্রায় তিনি ভেঙে দিয়েছেন পবন চামলিংয়ের রেকর্ড। যিনি ৮,৯৩০ দিন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। আর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শাসক জীবনের ২৫ তম বর্ষ চলছে মোদীর।

আরও পড়ুন: Yuvraj father on Ashwin: ‘অশ্বিন নিজে কী?’, আক্রমণ যুবির বাবার, বললেন ‘৬ মাসে না পারলে দাড়ি কেটে ফেলব……

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe