RG Kar Victim mother in BJP List: পানিহাটিতে BJP প্রার্থী RG করের নির্যাতিতার মা, উত্তরপাড়ায় প্রাক্তন NSG কমান্ডো
আরজি করের নির্যাতিতার মা'ই লড়াই করছেন পানিহাটিতে। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে তৃতীয় দফার প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করে বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে যে পানিহাটি বিধানসভা থেকে লড়ছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নির্যাতিতার মা।
আরজি করের নির্যাতিতার মা'ই লড়াই করছেন পানিহাটিতে। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে তৃতীয় দফার প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করে বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে যে পানিহাটি বিধানসভা থেকে লড়ছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নির্যাতিতার মা। সেইসঙ্গে আরও ১৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। তার ফলে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে মোট ২৭৫টি বিধানসভা আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে পদ্মশিবিরের তরফে। বাকি ১৯টি কেন্দ্রের প্রার্থীতালিকা কবে প্রকাশ করা হবে, তা অবশ্য বিজেপির তরফে জানানো হয়নি।

তবে এবারের প্রার্থীতালিকায় যাবতীয় আলোচনা শুরু হয়েছে আরজি করের নির্যাতিতার মা'কে নিয়েই। দিনকয়েক আগে তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন যে বিজেপির টিকিটে পানিহাটি থেকে লড়াই করবেন। সেদিনই বিজেপি দ্বিতীয় দফার প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করলেও পানিহাটির নাম উহ্য ছিল। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি।
নির্যাতিতার মায়ের বিজেপিতে যোগ নিয়ে আন্দোলনকারী
আর নির্যাতিতার মা যে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন, সেই বিষয়টি নিয়ে আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম ‘মুখ’ তথা উত্তর ২৪ পরগনা গ্রামীণ ২-র কংগ্রেসের মহিলা সভানেত্রী তুলিকা অধিকারী বলেছেন, ‘অভয়া আন্দোলনের সহযোদ্ধাদের বলছি, নির্যাতিতার খুনি আর তদন্ত ধামাচাপা যারা দিয়েছে, উভয়ের বিরুদ্ধেই লড়াই চলবে। কিন্তু ধৈর্য হারালে চলবে না। আর কাকিমার উদ্দ্যেশ্যে সম্মান জানিয়ে বলছি….আজ ভোট পর্যন্ত যাঁরা আপনার পাশে, কাল তাঁরা ভোটের পরে থাকবে, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শেষে যদি আপনাকে বলতে হয়, আমায় ভোটের জন্য ভুল বুঝিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে, সেদিন আমার কথা মনে করবেন…..কারণ দলটার নাম বিজেপি।’
২ বিধায়কের নাম কেটে দেওয়া হল
তারইমধ্যে তৃতীয় দফায় দুই বিধায়কের নাম কেটে গিয়েছে বিজেপি। কোচবিহার দক্ষিণ থেকে নিখিলরঞ্জন দে এবং ইংরেজবাজার থেকে শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর পরিবর্তে যথাক্রমে রথীন্দ্রনাথ বোস এবং অম্লান ভাদুড়িকে প্রার্থী করা হয়েছে। আবার উত্তরপাড়ায় টিকিট দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন এনএসজি কম্যান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তীকে।
বাকি কোন আসনে কে দাঁড়াচ্ছেন?
১) রাজগঞ্জ: দীনেশ সরকার।
২) ইসলামপুর: চিরঞ্জিৎ রায়।
৩) হেমতাবাদে হরিপদ বর্মণ।
৪) শান্তিপুর: স্বপন দাস।
৫) হাওড়া মধ্য: বিপ্লব মণ্ডল।
৬) সিঙ্গুর: অরূপকুমার দাস।
৭) চন্দননগর: দীপাঞ্জনকুমার গুহ।
৮) চুঁচুড়া: সুবীর নাগ।
৯) হরিপাল: মধুমিতা ঘোষ।
১০) তমলুক: হরেকৃষ্ণ বেরা।
১১) মেদিনীপুর: শংকর গুছাইত।
১২) পূর্বস্থলী দক্ষিণ: প্রাণকৃষ্ণ তপাদার।
১৩) কাটোয়া: কৃষ্ণ ঘোষ।
১৪) সাঁইথিয়া: কৃষ্ণকান্ত সাহা।
১৫) নলহাটি: অনিল সিংকে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


