Mohsin Naqvi Asian Cricket Council: ‘ট্রফিচোর’ মহসিন নকভির কুর্সি হারানো প্রায় নিশ্চিত। আর তাঁর সেই কুর্সি পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার তথা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট তামিম ইকবাল। সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রেসিডেন্ট পদে পাকিস্তানি নকভির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের ২ এপ্রিল। তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কার্যত শূন্য। সেই পরিস্থিতিতে পরবর্তী দু'বছরের জন্য তামিমের এসিসি প্রধান হওয়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।
শুধু পাকিস্তান বোর্ডই ভোট দেবে নকভিকে?

আসলে কোনও বিদায়ী প্রেসিডেন্টের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের পাঁচটি পূর্ণ সদস্যের দেশকে সম্মতি প্রদান করতে হয়। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান নকভির ক্ষেত্রে সেই সম্ভাবনা কার্যত নেই। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঁচ পূর্ণ সদস্যের দেশের মধ্যে কমপক্ষে তিনটি ভোট নকভির মেয়াদ বৃদ্ধির বিরুদ্ধে পড়তে পারে। এমনকী সেই সংখ্যাটা চার হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
দায়িত্ব নিতে মুখিয়ে আছেন তামিম
আর নকভির মেয়াদ না বাড়লে নিয়ম মোতাবেক এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধানের চেয়ারে বসবেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট তামিম। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের এক সদস্য জানিয়েছেন যে নকভিকে নিয়ে জল্পনা থাকলেও তাঁর মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এসিসি সদস্যরা মনে করছেন যে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিতে মুখিয়ে আছেন তামিম।
বিধান আছে, কিন্তু নকভির দ্বারা হবে না
{{/usCountry}}বিধান আছে, কিন্তু নকভির দ্বারা হবে না
{{/usCountry}}তিনি জাানিয়েছেন, দু'বছর ছাড়া-ছাড়া এসিসি প্রধানের পদ পরিবর্তিত হয় পাঁচটি পূর্ণ সদস্যের দেশের মধ্যে। বিদায়ী চেয়ারম্যানের মেয়াদ বৃদ্ধির বিধান আছে বটে। তবে সেক্ষেত্রে এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রত্যেক সদস্যের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বর্তমান এক্সিকিউটিভ বোর্ডের মধ্যে সেরকম ঐক্যমত নেই। বিশেষত যা যা ঘটেছে, তাতে নকভির মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কোনও এক্সিকিউটিভ বোর্ডের মধ্যে ঐক্যমত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম।
ট্রফি ‘চুরির’ সুযোগ আছে নকভির সামনে
তবে পুরুষদের এশিয়া কাপ এবং মহিলাদের এশিয়া কাপের ট্রফি ‘চুরি’ করা নকভি নিজের ‘চৌর্যবৃত্তির’ দেখানোর সুযোগ পাবেন এখনও। কারণ চলতি বছর ডিসেম্বরে বাংলাদেশে খেলা হবে এশিয়ান অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ আছে। সেটা জেতার দৌড়ে ফেভারিট হল ভারত। আর ভারত চ্যাম্পিয়ন হলে ‘জঙ্গি’ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ফের নিজের ‘চুরিবিদ্যা’ দেখানোর সুযোগ পেয়ে যাবেন।