Doval meeting with Canadian Official: দিল্লিতে মেগা বৈঠক অজিত ডোভালের, কানাডায় খলিস্তানিপন্থীদের 'শেষ ঘণ্টা' বাজালেন?
Doval meeting with Canadian Official: কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির শীর্ষ উপদেষ্টা ডেভিড মরিসনের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। আর সেই বৈঠকের পরই খলিস্তানিপন্থীদের শেষ ঘণ্টা বেজে গেল?
Doval meeting with Canadian Official: দিল্লিতে কানাডার শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। সেই বৈঠকের বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানানো না হলেও সূত্রের খবর, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির শীর্ষ উপদেষ্টা ডেভিড মরিসন এবং ডোভালের আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি আরও মজবুত করার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যাতে আরও শক্তিশালী করা যায় এবং সমন্বয় বাড়ানো যায়, তার উপরেই মূলত গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
খলিস্তানি-পন্থীদের উপস্থিতি নিয়ে বার্তা ভারতের
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির শীর্ষ উপদেষ্টা ডেভিড মরিসনের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
সেই রেশ ধরে কানাডার মাটিতে খলিস্তানি-পন্থীদের উপস্থিতি নিয়েও ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যে খলিস্তানি জঙ্গিদের নিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সময় ভারত এবং কানাডার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একেবারে তলানিতে ঠেকেছিল।
খলিস্তানি জঙ্গি নিজ্জরের হত্যা ও ট্রুডোর রাজনৈতিক 'স্টান্ট’
খলিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের মৃত্যুর ঘটনায় ভারতের যোগ থাকতে পারে বলে ২০২৩ সালে যে মন্তব্য করেছিলেন ট্রুডো, তা নিয়ে চূড়ান্ত টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল নয়াদিল্লি এবং ওটোয়ার মধ্যে। ট্রুডোর মন্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। শুধু তাই নয়, ওটোয়া যখন ভারতীয় কূটনীতিবিদের খলিস্তানি জঙ্গির হত্যার সঙ্গে জড়িয়ে দিতে চেয়েছিল, সেই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করেছিল নয়াদিল্লি।
২০২৪ সালের অক্টোবরে হাইকমিশনার সঞ্জয় কুমার বর্মা এবং পাঁচ কূটনীতিবিদকে ফিরিয়ে এনেছিল ভারত। আবার কানাডার একগুচ্ছ কূটনীতিবিদকে বহিষ্কার করে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। সেই উত্তপ্ত সম্পর্কের মধ্যেই কানাডার প্রধানমন্ত্রীর থেকেই বহিষ্কৃত হয়ে যান ট্রুডো। যিনি কুর্সি ধরে রাখার স্বার্থে খলিস্তানিদের সঙ্গে বিশেষ ‘সম্পর্ক’ রেখে চলতেন বলে অভিযোগ উঠত।
তবে ট্রুডো বিতাড়িত হওয়ার পরে ভারত এবং কানাডার ফাটল জোড়া লাগতে থাকে। গত বছর এপ্রিলে ভোটে জিতে প্রধানমন্ত্রী হন লিবারেল পার্টির নেতা কার্নি। এমনকী মার্চে ভারতেও আসেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। তারপর থেকে ভারত এবং কানাডার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গ্রাফ আরও উপরের দিকে উঠতে থাকে। মজবুত হতে থাকে সম্পর্ক। কানাডায় ফের হাইকমিশনার পাঠায় ভারত। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ককে নতুন করে এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হয় ভারত এবং কানাডা।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।
Home/News/Doval meeting with Canadian Official: দিল্লিতে মেগা বৈঠক অজিত ডোভালের, কানাডায় খলিস্তানিপন্থীদের 'শেষ ঘণ্টা' বাজালেন?
{{^htLoading}}
Advertisement
{{/htLoading}}
SHARE THIS ARTICLE ON
{{#usCountry}}{{/usCountry}}
Notifications
Get breaking alerts directly from the newsroom
Notifications are on!You'll be notified when news breaks