Israel envoy on Pakistan: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানকে কার্যত পাত্তাই দিচ্ছে না ইজরায়েল। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার বলেছেন, 'আমরা পাকিস্তানকে একটি বিশ্বাসযোগ্য পক্ষ হিসেবে দেখি না। আমার মনে হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের স্বার্থেই পাকিস্তানের সহযোগিতাকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা অতীতে দেখেছি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে কাতার ও তুরস্কের মতো সমস্যায় জর্জরিত দেশগুলিকে হামাসের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর স্বার্থে ব্যবহার করেছে। আমরা যে ফলাফল দেখতে চাই, তার মূল বিষয়বস্তু ও সারমর্ম নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত থাকাটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'

আরও পড়ুন: Repo Rate: ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ!’ রেপো রেট নিয়ে বড় ঘোষণা RBI-র, ইএমআই বাড়বে না কমবে?
পাকিস্তানে যেতে পারেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
আর ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের দূত এমন একটা সময় সেই মন্তব্য করেছেন, যখন আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে দু'সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি হয়েছে। দীর্ঘকালীন সংঘর্ষচুক্তির জন্য পাকিস্তানে আসতে পারেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। যদিও সেই চুক্তির ভাগ্য সরু সুতোর উপরে ঝুলছে। কারণ ইরানের তরফে দাবি করা হয়েছে, সংঘর্ষবিরতি চুক্তির তিনটি শর্ত ভঙ্গ করেছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল।
আরও পড়ুন: CRPF Recruitment 2026: CRPF-তে চাকরির সুযোগ! ৯,১৯৫ শূন্যপদে নিয়োগ, কবে থেকে আবেদন শুরু? বেতন কত হবে?
আমেরিকা ও ইরানের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি নিয়ে ভারত
তারইমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে ভারত আশাপ্রকাশ করেছে, এই চুক্তি পশ্চিম এশিয়ায় স্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত করবে। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, তারা ধারাবাহিকভাবে উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষে সওয়াল করে আসছে। সেইসঙ্গে হরমুজের মধ্যে দিয়ে অবাধ চলাচলের আহ্বান জানিয়েছে দিল্লি। সামুদ্রিক রুটের কৌশলগত গুরুত্বের কথা তুলে ধরে বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়, হরমুজ প্রণালীর মধ্যে দিয়ে 'নৌ চলাচলের অবাধ স্বাধীনতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবাহ' আশা করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}তারইমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে ভারত আশাপ্রকাশ করেছে, এই চুক্তি পশ্চিম এশিয়ায় স্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত করবে। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, তারা ধারাবাহিকভাবে উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষে সওয়াল করে আসছে। সেইসঙ্গে হরমুজের মধ্যে দিয়ে অবাধ চলাচলের আহ্বান জানিয়েছে দিল্লি। সামুদ্রিক রুটের কৌশলগত গুরুত্বের কথা তুলে ধরে বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়, হরমুজ প্রণালীর মধ্যে দিয়ে 'নৌ চলাচলের অবাধ স্বাধীনতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবাহ' আশা করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচল
তারইমধ্যে এতদিন ইরানের সঙ্গে কোনও চুক্তি বা শর্তের ভিত্তিতে ভারত হরমুজ দিয়ে জাহাজ আনছিল না বলে জানিয়েছে ভারত সরকার। তবে তারপর কী হবে, তা জানতে চাওয়া হলে সরকারের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক নাকি সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বলেন, 'আমরা এই ধরনের কোনও অর্থ প্রদানের বিষয়ে অবগত নই।' এর আগে ইরানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ভারত হরমুজ দিয়ে জাহাজ নিয়ে আসতে পারছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে নয়া যুদ্ধবিরতির ফলে ভারতের সঙ্গে ইরানের সেই সমীকরণে কোনও পরিবর্তন আসবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়।