Express Trains Stoppages Withdrawal: দূরপাল্লা এবং প্রিমিয়াম ট্রেনের গতি বাড়ানোর জন্য নয়া পরিকল্পনা করল ভারতীয় রেল। লাইভ হিন্দুস্তানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরীক্ষামূলকভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ৩০০টিরও বেশি অপ্রয়োজনীয় এবং অলাভজনক স্টপেজ তুলে দেওয়ার নীলনকশা প্রস্তুত করা হয়েছে। তার জেরে স্বভাবতই ট্রেনের গতি বাড়বে। কারণ ট্রেন যত কম স্টেশনে দাঁড়াবে, তত গতি বাড়ে। আরও দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাবেন যাত্রীরা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বা ডিজেলের সাশ্রয় হবে। খরচও কমবে রেলের।
বিধায়ক ও সাংসদদের সুপারিশে অনেক স্টেশনে দাঁড়ায় ট্রেন

বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ে বোর্ডের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন যে ২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের (সাংসদ হোক বা বিধায়ক) সুপারিশে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবিকে মান্যতা দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনেক স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে বিভিন্ন ট্রেনের স্টপেজ চালু করা হয়।
পূরণ হয়নি ট্রেন দাঁড়ানোর ন্যূনতম শর্ত
নিয়ম অনুযায়ী, ছয় মাসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর টিকিটের বিক্রয় ও বাণিজ্যিক দিক পর্যালোচনা করে দেখে রেল। সেই পর্যালোচনার ভিত্তিতে দেখা গিয়েছে যে ৩০০টির বেশি স্টেশন ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি। সংশ্লিষ্ট স্টেশন থেকে প্রতিদিন প্রতিটি ট্রেনে ন্যূনতম ১৫টি টিকিট থাকার শর্ত পূরণ হয়নি। ওই আধিকারিকের কথায়, যাত্রী না থাকা সত্ত্বেও অকারণে ওইসব স্টপেজে ট্রেনগুলিকে দাঁড়াতে হচ্ছিল। তার ফলে সময় নষ্ট হচ্ছিল। কমছিল ট্রেনের গতি। ট্রেনের যাত্রার সময় বেড়ে যাচ্ছিল। খরচও বাড়ছিল রেলের।
১৫-৪৫ মিনিট সাশ্রয় হবে, বাঁচবে বিদ্যুৎ বা ডিজেল
{{/usCountry}}১৫-৪৫ মিনিট সাশ্রয় হবে, বাঁচবে বিদ্যুৎ বা ডিজেল
{{/usCountry}}ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সার্চ ডিজাইনস অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশনের (আরডিএসও) তরফে হিসাব করে দেখা হয়েছে যে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে ছুটে চলা কোনও ট্রেনকে স্টেশনে দাঁড় করানোর পরে সেটিকে সেই গতিতে ফিরিয়ে আনতে কমপক্ষে পাঁচ থেকে সাত মিনিট লেগে যায়। ওই আধিকারিকের মতে, এরকম ট্রেনের একটি স্টপেজ বাদ দিলেই পাঁচ থেকে সাত মিনিট সাশ্রয় হবে। সবমিলিয়ে ট্রেনপিছু যাতায়াতের সময় ১৫ মিনিট থেকে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এছাড়াও একটি স্টপেজ অপসারণ করা হলে প্রতি ট্রেনে ৩০০ থেকে ৩৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ বা ২০ থেকে ২৫ লিটার ডিজেল সাশ্রয় হবে।
তালিকায় কোন কোন ট্রেন?
আর সেই বিষয়টি বিবেচনা করেই পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি ট্রেনের স্টপেজ কাটছাঁট করা হচ্ছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লি থেকে চলা ১২টির মতো প্রিমিয়াম ট্রেন, তিনটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, শতাব্দীর মতো কয়েকটি ট্রেনের পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি স্টপেজ তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।