...
...
Next Story

Woman marries Corpse of Boyfriend: প্রেমিকের মৃতদেহের রক্তই সিঁদুর হিসাবে…!খুনে উস্কানি নিয়ে তরুণীর বিস্ফোরক অভিযোগ

‘আমার পরিবার তাঁকে হত্যা করেছে... আমাদের প্রেমকে অমর করার জন্যই আমি তাঁকে বিয়ে করেছি।’

Published on: Dec 1, 2025, 20:33:47 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

সক্ষম হত্যাকাণ্ড ঘিরে প্রেমিকা আঁচল মুখ খুলতেই বিস্ফোরক অভিযোগ। মহারাষ্ট্রের নান্দেদে ২১ বছর বয়সী তরুণী আঁচল তাঁর নিহত প্রেমিকের মৃতদেহের রক্ত ব্যবহার করে নিজের কপালে সিঁদুর লাগিয়েছিলেন বলে খবর। বর্ণ বৈষম্যের জেরে এই খুন বলে, ওই তরুণীর বাবা এবং ভাইদের বিরুদ্ধে ওই তরুণী অভিযোগ করেন। ওই তরুণী অভিযোগ করেছেন, তাঁর প্রেমিক সক্ষমের উপর আক্রমণ করার জন্য তাঁর ভাইদের উস্কে দেওয়া বেশ কয়েকজনের মধ্যে দুজন পুলিশও ছিলেন।

মৃত প্রেমিককে 'বিয়ে' করা মহারাষ্ট্রের এক মহিলার রক্ত সিন্দুর হিসাবে লাগানো হয়েছিল (X/@scribe_it)
মৃত প্রেমিককে 'বিয়ে' করা মহারাষ্ট্রের এক মহিলার রক্ত সিন্দুর হিসাবে লাগানো হয়েছিল (X/@scribe_it)

তাঁর পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আঁচল মামিদওয়ার বলেছিলেন, যে তিনি তাঁর প্রেমিক সক্ষম টেটকে শেষবারের মতো 'বিয়ে' করতে চেয়েছিলেন - এমনকি যদি তিনি আর বেঁচে না থাকেন, তাতেও তিনি সক্ষমকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন।অঞ্চল,'আমার পরিবার তাঁকে হত্যা করেছে... আমাদের প্রেমকে অমর করার জন্যই আমি তাঁকে বিয়ে করেছি।' কান্নাজড়িত অবস্থায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আঁচল অভিযোগ করেন, তফসিলি জাতিভুক্ত হওয়ায় তাঁর পরিবার কয়েক মাস ধরে সক্ষমকে হুমকি দিয়ে আসছিল। আঁচল বলেন,'আমরা তিন বছর একসঙ্গে ছিলাম। জাতপাতের কারণে আমার পরিবার কখনও রাজি হয়নি।' তিনি জানান, তাঁর পরিবার বারবার খুঁজেছিল সক্ষমকে খুনের সুযোগ। তাঁর অভিযোগ, তাঁর ভাইরা সক্ষমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজায়। এক্ষেত্রে আঁচল বলছেন,'পুলিশ সদস্যরা আমার ভাইকে বলেছিল, 'মিথ্যা মামলা করার পরিবর্তে, আপনি কেন আমাদের কাছে আসার আগে তাঁকে হত্যা করছেন না? আমার ভাই এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে সক্ষমকে মেরে ফেলল। 'থানার মন্তব্যের বিষয়ে পুলিশ এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত না করলেও বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানিয়েছে।

( Govt on Cyber Security:নজরে সাইবার নিরাপত্তা! স্মার্টফোন নির্মাতাদের ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ প্রি ইনস্টলের নির্দেশ কেন্দ্রের)

( December 2025 Monthly Rashifal: ২০২৫ ডিসেম্বর মাস কেমন কাটবে? রইল মেষ থেকে মীনের রাশিফল)

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নান্দেদের পুরাতন গঞ্জ এলাকায় বন্ধুদের সাথে দাঁড়িয়ে ছিলেন ২০ বছর বয়সী সাক্ষম। তাঁর সঙ্গে আঁচলের ভাই হিমেশ মামিদ্বারের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। হিমেশ তাকে গুলি করে, গুলি তার পাঁজর ভেদ করে। এরপর তিনি তার মাথায় একটি টাইল বা পাথর আঘাত করে তাৎক্ষণিকভাবে মারা যান। এর পরপরই হিমেশ, তার ভাই সাহিল ও তাদের বাবা গজাননকে গ্রেফতার করা হয়।

(এই প্রতিবেদন এআই দ্বারা অনুবাদ হয়েছে )

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe