...
...
Next Story

Rinku emotional message for father: 'মাঠে তোমার স্বপ্নপূরণের চেষ্টা করছিলাম…..', বিশ্বকাপ জিতে বাবাকে বার্তা রিঙ্কুর

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরই বাবার প্রতি আবেগঘন বার্তা দিলেন রিঙ্কু সিং। তিনি বলেন, ‘তোমার সঙ্গে কথা না বলে এতগুলো দিন আগে কখনও কাটেনি। জানি না তোমায় ছাড়া আগামী দিনগুলো কীভাবে কাটবে… কিন্তু জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে তোমায় প্রয়োজন হবে আমার।’

Published on: Mar 10, 2026, 19:49:12 IST
Advertisement

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মধ্যেই বাবাকে হারিয়েছেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যোগ দিয়েছেন দলের সঙ্গে। কিন্তু তারপর টিম কম্বিনেশনের জন্য তারপর থেকে একটি ম্যাচেও খেলতে পারেননি। বসে থাকতে হয়েছে ডাগ-আউটে। তারপরও যেভাবে বাবার মৃত্যুর পরে দলের সঙ্গে থেকেছেন, সেজন্য রিঙ্কু সিংকে কুর্নিশ জানিয়েছেন ক্রিকেট ভক্তরা। আর এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরে বাবার প্রতি আবেগঘন বার্তা দিলেন ভারতের তারকা ক্রিকেটার।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে রিঙ্কু সিং। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে রিঙ্কু সিং। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

আরও পড়ুন: Gambhir on Indian team atmosphere: 'অধিকাংশ খেলোয়াড় খুশি না হলে কোচ থাকার মানে নেই', বিস্ফোরক গম্ভীর, চটলেন কেন?

বাবার প্রতি রিঙ্কুর আবেগঘন বার্তা

বাবার সঙ্গে ছবি পোস্ট করে রিঙ্কু লেখেন, 'তোমার সঙ্গে কথা না বলে এতগুলো দিন আগে কখনও কাটেনি। জানি না তোমায় ছাড়া আগামী দিনগুলো কীভাবে কাটবে… কিন্তু জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে তোমায় প্রয়োজন হবে আমার। তুমিই শিখিয়েছিলে যে কর্তব্যই সবার আগে… তাই খেলার মাঠে কেবল তোমার স্বপ্নপূরণ করার চেষ্টাই করছিলাম। আজ তোমার স্বপ্নপূরণ হয়েছে… তাই বারবার শুধু এটাই মনে হচ্ছে যে, আজ যদি তুমি আমার পাশে থাকতে। প্রতিটা ছোট-বড় খুশিতে তোমার অভাব অনুভব করব। তোমায় খুব মিস করব বাবা… প্রবলভাবে।'

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রিঙ্কুর বাবা খাচেন্দ্র সিং। ​খাচন্দ্রের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই), কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) টিম ম্যানেজমেন্টের তরফে গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে। রিঙ্কুর আইপিএল দল কলকাতা নাইট রাইডার্স সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বার্তায় জানানয়, ‘রিঙ্কু এবং তাঁর পরিবারের এই কঠিন সময়ে আমরা তাঁদের পাশে আছি। খাচন্দ্র সিংয়ের ত্যাগ সবসময় স্মরণে থাকবে।' অনেক ক্রিকেট অনুরাগী রিঙ্কুকে সান্ত্বনা জানিয়ে লেখেন, 'তোমার বাবা তোমার এই আকাশছোঁয়া সাফল্য দেখে গর্বিত হয়েছেন।’

আর সত্যিই বাবাকে গর্বিত করেছেন রিঙ্কু। সেই জায়গায় পৌঁছানোর জন্য এবং এই আকাশচুম্বী সাফল্যের পিছনে তাঁর বাবার অবদান অনস্বীকার্য। খাচন্দ্র পেশায় একজন এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহকারী ছিলেন। অভাব-অনটনের সংসার চালিয়েও তিনি কখনও চাননি সন্তানরা দারিদ্র্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে থাক। আলিগড়ের সরু গলিতে সাইকেলে করে ভারী গ্যাস সিলিন্ডার বয়ে নিয়ে যাওয়া সেই মানুষটিই ছিলেন রিঙ্কুর আসল হিরো। রিঙ্কু যখন ক্রিকেটে পা রাখছেন, তখন সংসারের হাল ধরতে তাঁকেও একসময় ঘর মোছার কাজ করতে হয়েছিল। কিন্তু খাচন্দ্র সবসময়ই চাইতেন তাঁর ছেলে যেন নিজের স্বপ্নপূরণ করেন।

আরও পড়ুন: Howrah-Kharagpur Local Train: ‘হাওড়া-খড়্গপুর লাইনে লোকাল ট্রেন পরিষেবা ভালো হবে’, ২৯০৫ কোটি টাকার কাজে সংকেত

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe