Rohit Sharma Latest Update: ‘আমায় ক্ষমা করে দাও রোহিত’, কোন ‘ভুলের’ জন্য এমন করলেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী তারকা?
Rohit Sharma Latest Update: ২০১১ সালের একদিনের বিশ্বকাপের জন্য রোহিত শর্মাকে ভারতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত এই সিদ্ধান্তের জন্য অনুতপ্ত। তিনি রোহিতের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
Rohit Sharma Latest Update: ভারতীয় ক্রিকেটের অন্দরমহলে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দুই নাম- বর্তমান অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং প্রাক্তন কিংবদন্তি ক্রিকেটার তথা প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। একটি ভিডিয়োবার্তায় শ্রীকান্তকে রোহিতের কাছে প্রকাশ্যেই ক্ষমা চাইতে। কিন্তু হঠাৎ এমন কী হল যে ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই ক্রিকেটারকে 'হিটম্যান'-এর কাছে দুঃখপ্রকাশ করতে হল? এর নেপথ্যে রয়েছে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ দল নির্বাচন। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ভারত ২০১১ সালে একদিনের বিশ্বকাপ জিতেছিল। ভারত ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে এই জয় ছিনিয়ে এনেছিল। ভারত ১৯৮৩ সালে প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ধোনি ব্রিগেড নিজেদের ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জেতা প্রথম দল ছিল।

১৫ বছরেও কাটেনি আফসোস
তবে এই সাফল্যের জন্য কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে হয়েছিল। তেমনই হয়েছিল রোহিতের ক্ষেত্রে। তিনি বড় মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাননি। এই ধাক্কা সত্ত্বেও, রোহিত সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হয়ে উঠেছেন। কিন্তু ২০১১ সালের বিশ্বকাপের রোহিতকে দলে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে আজও আফসোস রয়ে গিয়েছে ভারতের তৎকালীন প্রধান নির্বাচক শ্রীকান্তের।
তিনি জানান যে ম্যানেজমেন্ট ১৯৮৩ সালের জয়ের মতো একই পরিকল্পনা অনুসরণ করেছিল, যেখানে বিশেষজ্ঞের পরিবর্তে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী তথা অলরাউন্ডার খেলোয়াড়দের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল।
‘আমি আজও ওর জন্য দুঃখিত’, রোহিতকে বলেন শ্রীকান্ত
সংবাদমাধ্যম দ্য উইককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রীকান্ত বলেছেন, 'আমি আজও ওর জন্য দুঃখিত। আমি গত বছর রোহিতকে বলেছিলাম, আমায় ক্ষমা করে দাও। আমায় ক্ষমা করে দাও। এটা ইচ্ছাকৃত ছিল না, আমরা কেবল অলরাউন্ডারদের নিতে চেয়েছিলাম। আমাদের চিন্তাভাবনা ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপেরই মতো ছিল।'
আরও পড়ুন: UPSC Success Tips: কোচিং ছাড়াই UPSC-তে বাজিমাত ২১ বছরের তরুণীর, র্যাঙ্ক হল ৬১, কীভাবে প্রস্তুতি?
কেন রোহিতকে বাদ দেওয়া হয়েছিল?
শ্রীকান্ত স্বীকার করেছেন যে আজও সেই সিদ্ধান্তের প্রভাব তাঁর উপর রয়েছে। তাঁর লক্ষ্য ছিল ব্যাটিংয়ের গভীরতা বাড়ানো এবং একইসঙ্গে পর্যাপ্ত বোলিং অপশন রাখা, যাতে প্রয়োজনে তাঁরা দলে আসতে পারেন। এই কৌশলটি ২০২৬ সালের ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়েও দেখা গিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


