Success Story: বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিতেন। ১৪টি বড়-বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাঙ্খিত সাফল্য মেলেনি। কিন্তু তারপরও হার মানেননি। হতাশ হয়ে ভেঙে পড়েননি। বরং বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (SDM) হয়েছেন আস্থা দমেলে।
হস্টেলে থেকে পড়াশোনা আস্থার

আস্থা মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখন্ডের পলেরার বাসিন্দা। তবে ছোটো থেকেই পড়াশোনার জন্য পরিবার ছেড়ে হস্টেলে থাকতেন। ছতরপুর থেকেই সিবিএসই বোর্ডে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। তারপর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ থেকে স্নাতক স্তর সম্পূর্ণ করে ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (IGNOU) থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তারইমধ্যে গ্র্যাজুয়েশনের পড়াশোনার পাশাপাশিই শুরু করে দেন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি।
১৪টি বড় পরীক্ষায় ধাক্কা আস্থার
ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন, উত্তরপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং রাজস্থান পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মতো মিলিয়ে ২১টি বড় পরীক্ষা দেন। কিন্তু ১৪ বারই কাঙ্খিত সাফল্য পাননি। তিনবার ইউপিএসসির পরীক্ষায় ধাক্কা খেয়েছিলেন। কয়েকটি পরীক্ষায় খুব সামান্য নম্বরের জন্য উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
আরও পড়ুন: Success Story: রেললাইন দেখভাল করতেন, PSC পরীক্ষায় ৭২ তম স্থানে সেই ছেলে, হলেন সরকারি অফিসার
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: Success Story: রেললাইন দেখভাল করতেন, PSC পরীক্ষায় ৭২ তম স্থানে সেই ছেলে, হলেন সরকারি অফিসার
{{/usCountry}}সেভাবেই ক্রমাগত ব্যর্থতায় মন ভেঙে যাওয়া স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু আস্থা হতাশ হয়ে পড়েননি। বরং কোথায় খামতি আছে, কোন ভুলগুলোর জন্য নম্বর কাটা যাচ্ছে, সেগুলি চিহ্নিত করে প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে থাকেন। সেটার ফলই মেলে। বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় ২৩ তম স্থান অধিকার করেন। সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (SDM) হয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: Success Story: বেঁটে হওয়ায় হাসাহাসি করা হত, সেই মেয়েই PSC পরীক্ষায় বাজিমাত করে হলেন অফিসার
চাকরির পরীক্ষায় কীভাবে প্রস্তুতি? টিপস আস্থার
১) নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক পড়াশোনা: প্রতিদিন সকালে বা আগের দিন রাতেই পরদিনের পড়াশোনার একটি সুনির্দিষ্ট টার্গেট তৈরি করে ফেলতেন। যতক্ষণ না সেই লক্ষ্য পূরণ হত, ততক্ষণ পড়া থামাতেন না।
২) বিগত বছরের প্রশ্নের সমাধান: বিগত বছরগুলোর প্রশ্নপত্র তিনি প্রতিদিন সমাধান করতেন। এতে পরীক্ষার প্রশ্নের ট্রেন্ড বুঝতে অনেক সুবিধা হত।
৩) ডিজিটাল মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার: বাস বা ট্রেনে যাতায়াতের সময় বা অন্য কোনও কাজের মাঝে খালি সময় পেলে মোবাইল বা ট্যাবলেটে অনলাইন টিউটোরিয়াল ও ডিজিটাল নোটস রিভিশন দিতেন।
৪) মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও ধ্যান: টানা ব্যর্থতা এবং দীর্ঘ প্রস্তুতির কারণে আসা মানসিক চাপ বা স্ট্রেস সামলাতে প্রতিদিন নিয়ম করে যোগব্যায়াম এবং ধ্যান করতেন।