Turkey threat to Israel: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইজরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন। শনিবার একটি রাজনৈতিক সভায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, 'যদি আমেরিকা এবং ইরানের যুদ্ধের মধ্যে পাকিস্তান যদি মধ্যস্থতা না করত, তাহলে ইজরায়েলের হাল খারাপ করে দিতাম।' তিনি অভিযোগ করেন যে রক্ত ও ঘৃণায় অন্ধ হয়ে গিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেইসঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ঠিক যেভাবে আমরা লিবিয়া ও কারাবাখে প্রবেশ করেছিলাম, সেভাবেই আমরা ইজরায়েলে প্রবেশ করতে পারি।’
তুরস্ককে পালটা তোপ ইজরায়েলের
পালটা ইজরায়েলের তরফে পালটা বলা হয়েছে যে ইরানের 'সন্ত্রাসবাদী' শাসনের ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া যাবে। এরদোগানের মতো কুর্দিশ মানুষদের গণহত্যা করা হবে না বলেও খোঁচা দিয়েছে ইজরায়েল। একইসুরে ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইজরায়েল কাটজও তুরস্কের বিরুদ্ধে ইহুদি-বিদ্বেষ এবং ইজরায়েলি রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রহসনমূলক বিচারের অভিযোগ করেছেন।
আরও পড়ুন: PPF Pension Planning: PPF-তে কীভাবে বিনিয়োগ করলে মাসে ৬১,০০০ টাকা পেনশন মিলবে? রইল পুরো হিসাব
এমনিতে পাকিস্তানে ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। পাকিস্তানের রাজধানীতে ইরান ও আমেরিকার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলেছে ২১ ঘণ্টা। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই শান্তি আলোচনার মধ্যেই নাকি মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় ১২ বার হটলাইনে যুক্ত হয়েছিলেন ট্রাম্প। এই বিষয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স জানান, ট্রাম্প শুধুমাত্র তাঁদের নির্দেশ দিচ্ছেলেন না, তিনি আলোচনার প্রতি মিনিটের আপডেটও নিচ্ছিলেন।
একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানে দীর্ঘ বৈঠক ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হয় ইরান এবং আমেরিকার। তবে দু'পক্ষের দূরত্ব মেটেনি। এদিকে পাকিস্তানের ঢাল হয়ে দাঁড়ান ভান্স। তিনি বলেন, 'আলোচনায় যে ঘাটতিগুলি রয়ে গিয়েছে, সেগুলির জন্য পাকিস্তানিদের দায়ি করা যাবে না। তারা অসাধারণ কাজ করেছে এবং আমাদের ও ইরানের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সত্যিই চেষ্টা করেছে। তা সত্ত্বেও ইরানের জন্য খারাপ খবর হল, আমরা কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি। তাই আমরা কোনও সমঝোতা ছাড়াই ফিরে যাচ্ছি। আমরা আমাদের লক্ষ্মণরেখার বিষয়ে ইরানকে জানিয়েছি। কোন বিষয়ে ছাড় দেওয়া যায়, কোন বিষয়ে দেওয়া যায় না, সবটাই পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি।
পালটা ইরানের তরফে বলা হয়, ‘দেশের জনগণের স্বার্থে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমেরিকার অহেতুক দাবি মেনে নেওয়া তাই আমাদের জন্য অসম্ভব। ইরানি প্রতিনিধি দলের ইতিবাচক মনোভাব সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অপ্রয়োজনীয় সব দাবি জানানো হয়।’ সেই কারণেই আলোচনা বাধাগ্রস্ত হয় বলে ইরানের তরফে দাবি করা হয়।