UPSC Civil Services Success Story: দাদুর খাঁকি উর্দি থেকেই অনুপ্রেরণা, UPSC-তে বাজিমাত করে IPS অফিসার হলেন প্রিয়াঙ্কা
UPSC Civil Services Success Story: দাদুর খাঁকি উর্দি থেকেই স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন। আর দাদুর ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নেন যুবতী। মাত্র ২৩ বছরেই আইপিএস অফিসার হলেন প্রিয়াঙ্কা। বাজিমাত করেন ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায়।
UPSC Civil Services Success Story: স্বপ্নের পিছনে যদি থাকে অটুট জেদ, কঠোর পরিশ্রম এবং নিজের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস, তবে কোনও লক্ষ্যই অসম্ভব নয়। পথের বাধা কিংবা হতাশার মেঘ অতিক্রম করে যাঁরা নিজেদের ইতিহাসে নাম লেখান, তাঁরাই সমাজে তৈরি করেন নতুন দৃষ্টান্ত। এমনই এক সাফল্যের প্রতীক হলেন প্রিয়াঙ্কা মোহিত। যিনি মাত্র ২৩ বছর বয়সে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পাশ করে আইপিএস হয়েছেন। দাদুর পরা খাকি উর্দি স্মৃতি ও সততার গল্প থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে তিনি শুধু নিজের এবং পরিবারের স্বপ্নই পূরণ করেননি, বরং তরুণ প্রজন্মের সামনে তৈরি করেছেন এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

দিদি সরকারি ডাক্তার, ভাই প্রস্তুতি নিচ্ছেন UPSC-র
আইপিএস প্রিয়াঙ্কা মোহিতের পৈতৃক বাড়ি মহারাষ্ট্রের মালেগাঁওয়ের পোহানে গ্রামে। বাবা সুরেশ মোহিত একজন স্কুল শিক্ষক। দিদি এমবিবিএস সম্পন্ন করে বর্তমানে এক সরকারি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। ভাই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জনের পর সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
UPSC-র জন্য সায়েন্স থেকে পলিটিক্যাল সায়েন্স নেন
প্রিয়াঙ্কার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়েছিল স্বামী মুক্তানন্দ স্কুলে। পরবর্তীতে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন জওহর নবোদয় বিদ্যালয়ে। সেখানে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন। দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রিয়াঙ্কার বিষয় ছিল বিজ্ঞান।
তবে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ভালো ফল করাই তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল। তাই সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা সত্ত্বেও সাবিত্রীবাই ফুলে পুণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ইউজিসি-নেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপও (JRF) পান।
UPSC-র দ্বিতীয় অ্যাটেম্পটেই বাজিমাত, IPS অফিসার প্রিয়াঙ্কা
উচ্চশিক্ষা শেষ করার পর প্রিয়াঙ্কা ইউপিএসসির প্রস্তুতিতে পুরোপুরি মন দেন। তবে প্রথমবার সাফল্য মেলেনি। দ্বিতীয় অ্যাটেম্পটেই মেলে কাঙ্খিত সাফল্য। ৫৯৫ তম র্যাঙ্ক অর্জন করেন। যোগ দেন আইপিএস ক্যাডারে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


