...
...
Next Story

UPSC Civil Services Success Story: UPSC-র জন্য ৩৫ লাখ টাকার চাকরি নেননি, প্রথমবারই ১৮৪ র‍্যাঙ্ক করে IPS হলেন অর্চিত

UPSC Civil Services Success Story: প্রথমবার ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা দিয়েই ১৮৪ তম স্থান অধিকার করেন অর্চিত চন্দক। যিনি ছোটোবেলায় সামরিক স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন। তিনি ৩৫ লাখ টাকার চাকরির অফার পেয়েছিলেন।

Published on: Jul 21, 2026, 16:58:50 IST
Advertisement

UPSC Civil Services Success Story: ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার জন্য ৩৫ লাখ টাকার চাকরি ছেড়ে দেন। জোর দেন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে। সেই আইআইটি দিল্লির প্রাক্তনী প্রথম অ্যাটেম্পটেই করে ফেলেন বাজিমাত। প্রথমবার ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা দিয়েই ১৮৪ তম স্থান অধিকার করলেন অর্চিত চন্দক। এখন আইপিএস অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন নাগপুরে। তাঁর ছোটোবেলাও মহারাষ্ট্রের নাগপুরে কেটেছে।

সামরিক স্কুলে পড়াশোনা থেকে IIT দিল্লিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

প্রথমবার ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা দিয়েই ১৮৪ তম স্থান অধিকার করেন অর্চিত চন্দক। (ফাইল ছবি)
প্রথমবার ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা দিয়েই ১৮৪ তম স্থান অধিকার করেন অর্চিত চন্দক। (ফাইল ছবি)

ছোটোবেলা থেকেই অর্চিত অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন নাগপুরের ভোঁসলে মিলিটারি স্কুল থেকে। সামরিক স্কুলের সুশৃঙ্খল পরিবেশ তাঁর মধ্যে শৃঙ্খলা, নিয়মনিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের বীজ বপন করে দিয়েছিল। স্কুলজীবন শেষ করার পরে সর্বভারতীয় জয়েন্ট পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: UPSC Civil Services Success Story: ডাক্তারি ছেড়ে UPSC, প্রথমবার IPS, দ্বিতীয়বারেই IAS হলেন রীতিকা, কী টিপস দিলেন?

সর্বভারতীয় স্তরে দুর্দান্ত ফলাফল করে বর্তমানে দেশের এক নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটি দিল্লিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভরতি হন। ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত চার বছরের বি.টেক করেন। যিনি বিটেক করার সময় অধ্যাপকদের পাশাপাশি সতীর্থদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: UPSC Civil Services Success Story: বাসের মধ্যেই মায়ের অপমানের জবাব দিতে IPS হলেন শালিনী, প্রথমবারই UPSC-তে বাজিমাত

IIT ক্যাম্পাসিংয়ে ৩৫ লাখ টাকার প্যাকেজের চাকরি

আরও পড়ুন: IPS Officer K Jayraman: দুর্নীতিকাণ্ডে IAS-কে গ্রেফতার করে মমতার ‘রোষে’ পড়েন, সেই IPS খুঁজবেন TMC-র 'চুরি'

দিনে কতক্ষণ পড়তেন অর্চিত?

আইআইটির কোর্স শেষ হওয়ার পরে অর্চিত সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও সময়সূচি মেনে ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন। দিনে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন। তারপর ২০১৮ সালের ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা দেন। আর তাতে প্রথমবারেই সাফল্য লাভ করেন। ১৮৪ তম স্থান অধিকার করেন। বেছে নেন আইপিএস। বর্তমানে নাগপুরের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিসিপি) হিসেবে কর্মরত আছেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe