UPSC Civil Services Success Story: ডাক্তারি ছেড়ে UPSC, প্রথমবার IPS, দ্বিতীয়বারেই IAS হলেন রীতিকা, কী টিপস দিলেন?
UPSC Civil Services Success Story: ডাক্তার, আইপিএস অফিসার থেকে আইএএস অফিসার হলেন রীতিকা আইমা। করোনাভাইরাস মহামারীর সময় তাঁর জীবনে বড় পরিবর্তন এসেছিল। সেখান থেকেই আইএএস অফিসার হন। কী টিপস দিলেন নয়া প্রার্থীদের?
UPSC Civil Services Success Story: এমবিবিএস করে ডাক্তার হয়েছিলেন। তিনিই ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা দিয়ে প্রথমবার আইপিএস অফিসার হন। তবে তিনি চেয়েছিলেন আইএএস অফিসার। দ্বিতীয় অ্যাটেম্পেটেই সেই স্বপ্নপূরণ হয় উত্তরাখণ্ডের মেয়ে রীতিকা আইমায়। ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস প্রথম অ্যাটেম্পটে আইপিএস হওয়ার পরে ফের দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় বসেন। দ্বিতীয় অ্যাটেম্পটে ভারতে ৩৩ তম স্থান অধিকার করেন। হয়েছেন আইএএস অফিসার।

বাবা ছিলেন IFS অফিসার, রীতিকা বরাবর মেধাবী ছিলেন
রীতিকা দেরাদুনের মেয়ে। ছোটোবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। স্কুলের শিক্ষার পরে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন তবে প্রশাসনিক পরিবেশ তাঁর জন্য একেবারেই অজানা ছিল না। বাবা নিজে নাগাল্যান্ড ক্যাডারের একজন অবসরপ্রাপ্ত ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস অফিসার ছিলেন।
কোভিড মহামারী ও জীবনের টার্নিং পয়েন্ট
এমবিবিএস শেষ করার পর পেশায় ডাক্তার হিসেবে জীবন শুরু করেছিলেন রীতিকা। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে বড় মোড় আসে বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর সময়। মহামারীর সেই সংকটময় দিনগুলোতে যখন রীতিকা একটি কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে কর্মরত ছিলেন, তখন তিনি প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং দেশের জনস্বাস্থ্য কাঠামোর সীমাবদ্ধতা খুব কাছ থেকে উপলব্ধি করেছিলেন।
রীতিকা অনুধাবন করেন, একজন ডাক্তার হিসেবে হাসপাতালে তিনি একই সময়ে কেবল একজন বা নির্দিষ্ট সংখ্যক রোগীর চিকিৎসা করতে পারেন। কিন্তু যদি দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, সরকারি হাসপাতাল পরিচালনা, ওষুধের সহজলভ্যতা এবং সার্বজনীন জনস্বাস্থ্যনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হয়, তবে সরাসরি প্রশাসনিক ব্যবস্থার অংশ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। এই চিন্তাই তাঁকে চিকিৎসা ক্ষেত্র ছেড়ে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে উদ্বুদ্ধ করে। আর মেলে সাফল্যও।
প্ল্যান বি কি রাখা উচিত?
নয়া প্রার্থীদের প্রতি রীতিকা বলেন, ‘ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় সর্বদা একটি প্ল্যান-বি বা বিকল্প কেরিয়ারের ব্যবস্থা রাখা উচিত।’ তাঁর মতে, ইউপিএসসির মতো কঠোর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ফল কখনও কোনও প্রার্থীর সার্বিক যোগ্যতা নির্ধারণ করতে পারে না। যদি হাতের একটি বিকল্প অপশন তৈরি থাকে, তবে মাথার ওপর থেকে অতিরিক্ত মানসিক চাপ দূর হয়। তার ফলে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


