Maha Shivratri Puja Timing: আজ রাতে দেবদাদিদেবর আরাধনা করবেন? জেনে নিন শুভ মুহূর্ত, পুজোর বিধি এবং বিশেষ জ্যোতিষ উপাচার

ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই বিশেষ দিনেই মহাদেব রুদ্ররূপে অবতীর্ণ হয়ে বিশ্বকে রক্ষা করেছিলেন এবং এদিনই তাঁর সাথে শক্তির দেবী পার্বতীর বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল।

Published on: Feb 15, 2026, 07:54:13 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মহাশিবরাত্রি উৎসবের প্রস্তুতি ও ধর্মীয় গুরুত্ব নিয়ে ভক্তদের মধ্যে বিপুল আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মহাদেব ও মা পার্বতীর মিলনের এই মহাপবিত্র তিথি কবে, শুভক্ষণ কী এবং কীভাবে পুজো করলে মহাদেব প্রসন্ন হন—তা নিয়ে একটি বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

আজ রাতে দেবদাদিদেবর আরাধনা করবেন? জেনে নিন শুভ মুহূর্ত এবং পুজোর বিধি
আজ রাতে দেবদাদিদেবর আরাধনা করবেন? জেনে নিন শুভ মুহূর্ত এবং পুজোর বিধি

মহাশিবরাত্রি ২০২৬: কবে দেবদাদিদেব মহাদেবের আরাধনা? জেনে নিন শুভ মুহূর্ত, পুজোর বিধি এবং বিশেষ জ্যোতিষ উপাচার

সনাতন ধর্মে মহাশিবরাত্রিকে কেবল একটি উৎসব নয়, বরং আধ্যাত্মিক জাগরণ ও অন্ধকার থেকে আলোর দিকে যাওয়ার পথ হিসেবে দেখা হয়। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই বিশেষ দিনেই মহাদেব রুদ্ররূপে অবতীর্ণ হয়ে বিশ্বকে রক্ষা করেছিলেন এবং এদিনই তাঁর সাথে শক্তির দেবী পার্বতীর বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল।

মহাশিবরাত্রি ২০২৬: সঠিক তারিখ ও নির্ঘণ্ট

২০২৬ সালে মহাশিবরাত্রি পালিত হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবার।

  • চতুর্দশী তিথি শুরু: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ - ভোর ০৫:৪২ মিনিটে।
  • চতুর্দশী তিথি সমাপ্ত: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ - রাত ০৩:৫১ মিনিটে।
  • নিশীথ কাল পুজোর সময়: ১৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১১:৪৫ মিনিট থেকে ১২:৩৫ মিনিট (১৬ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত। এই সময়টিকে শিব সাধনার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ মনে করা হয়।

চার প্রহরের পুজোর সময়সূচী (Jalābhiṣeka Timing)

শিবরাত্রির ব্রতে চার প্রহরের পুজোর বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। প্রতিটি প্রহরে আলাদা আলাদা দ্রব্য দিয়ে মহাদেবের অভিষেক করা হয়:

  • প্রথম প্রহর: সন্ধ্যা ০৬:১১ মিনিট থেকে রাত ০৯:২৪ মিনিট। (দুধ দিয়ে অভিষেক)
  • দ্বিতীয় প্রহর: রাত ০৯:২৪ মিনিট থেকে ১২:৩৭ মিনিট। (দই দিয়ে অভিষেক)
  • তৃতীয় প্রহর: রাত ১২:৩৭ মিনিট থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ০৩:৪৯ মিনিট। (ঘি দিয়ে অভিষেক)
  • চতুর্থ প্রহর: ভোর ০৩:৪৯ মিনিট থেকে সকাল ০৭:০২ মিনিট। (মধু দিয়ে অভিষেক)

পুজোর বিধি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী

মহাশিবরাত্রির পুজোয় শুদ্ধতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। পুজোর সামগ্রীর তালিকায় অবশ্যই রাখবেন— গঙ্গাজল, পঞ্চামৃত, বেলপাতা, ধুতুরা ফল, আকন্দ ফুল, সাদা চন্দন, ভস্ম, ভাঙ, প্রদীপ ও ধূপ।

১. সকালে স্নান সেরে শিব মন্দিরে বা বাড়িতে শিবলিঙ্গের সামনে বসে সঙ্কল্প করুন।

২. 'ওঁ নমঃ শিবায়' মন্ত্র উচ্চারণ করে শিবলিঙ্গে জল ও বেলপাতা অর্পণ করুন।

৩. পুজো শেষে শিব চালিশা পাঠ এবং শিবের আরতি করা অত্যন্ত শুভ।

মনোবাঞ্ছা পূরণের বিশেষ উপায় (Astrology Tips)

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এই দিন কিছু বিশেষ টোটকা বা উপায় করলে গ্রহদোষ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়:

  • ঋণ মুক্তি: শিবলিঙ্গে আখের রস দিয়ে অভিষেক করলে আর্থিক সংকট দূর হয়।
  • মানসিক শান্তি: কাঁচা দুধে অল্প কালো তিল মিশিয়ে শিবলিঙ্গে ঢাললে শনি ও চন্দ্রের অশুভ প্রভাব কমে।
  • উন্নতি: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ থাকলে এদিন শিব-পার্বতীকে একসাথে হলুদ ও সিঁদুর অর্পণ করুন।
  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More