Shiv Chalisha: আজ মহাশিবরাত্রিতে শিব চালিশা পাঠ করবেন? জেনে নিন পাঠের সঠিক নিয়ম ও অবাক করা সুফল
দেবাদিদেব মহাদেব হলেন অল্পে তুষ্ট হওয়া দেবতা, তাই তাঁর আর এক নাম 'আশুতোষ'। ভক্তদের বিশ্বাস, মহাশিবরাত্রির এই বিশেষ দিনে ভক্তিভরে শিব চালিশা পাঠ করলে জীবনের কঠিনতম বাধাও দূর হয়ে যায়।
মহাশিবরাত্রির পুণ্য লগ্নে মহাদেবকে তুষ্ট করার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পথ হলো 'শিব চালিশা' পাঠ। শিব চালিশার গুরুত্ব, পাঠের নিয়ম এবং এর আধ্যাত্মিক সুফল জেনে নিন।

শিব চালিশা পাঠেই তুষ্ট হবেন ভোলেনাথ! জেনে নিন পাঠের সঠিক নিয়ম ও অবাক করা সুফল
আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬; সারা দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে মহাপবিত্র মহাশিবরাত্রি। দেবাদিদেব মহাদেব হলেন অল্পে তুষ্ট হওয়া দেবতা, তাই তাঁর আর এক নাম 'আশুতোষ'। ভক্তদের বিশ্বাস, মহাশিবরাত্রির এই বিশেষ দিনে ভক্তিভরে শিব চালিশা পাঠ করলে জীবনের কঠিনতম বাধাও দূর হয়ে যায়।
শিব চালিশা কী?
শিব চালিশা হলো ৪০টি পংক্তির একটি স্তোত্র, যেখানে মহাদেবের রূপ, গুণ এবং তাঁর অলৌকিক মহিমার বর্ণনা করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত সহজ ভাষায় রচিত, যা সাধারণ ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। মনে করা হয়, শিব চালিশার প্রতিটি শব্দে এমন এক তরঙ্গ রয়েছে যা আমাদের চারপাশের নেতিবাচক শক্তিকে দূর করতে সক্ষম।
কেন মহাশিবরাত্রিতে শিব চালিশা পাঠ করবেন?
জ্যোতিষশাস্ত্র এবং পুরাণ মতে, মহাশিবরাত্রির রাতে শিব চালিশা পাঠ করলে নিম্নলিখিত সুফলগুলি পাওয়া যায়:
- গ্রহদোষ মুক্তি: যাদের কুণ্ডলীতে শনির দশা বা চন্দ্রের অশুভ প্রভাব রয়েছে, তাদের জন্য শিব চালিশা পাঠ এক অব্যর্থ প্রতিকার।
- মানসিক শান্তি: প্রতিদিন বা বিশেষ করে শিবরাত্রিতে এটি পাঠ করলে দুশ্চিন্তা ও ভয় থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
- বিপদ থেকে রক্ষা: বিশ্বাস করা হয়, ভক্তিভরে এই পাঠ করলে ভক্তের ওপর আসা অকালমৃত্যুর ভয় বা দুর্ঘটনা কেটে যায়।
- মনোকামনা পূরণ: অবিবাহিতদের সুপাত্র বা সুপাত্রী লাভ এবং শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা বৃদ্ধিতে এটি বিশেষ কার্যকরী।
শিব চালিশা পাঠের সঠিক নিয়ম
মহাশিবরাত্রির দিন পাঠ করার সময় কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত যাতে পূর্ণ ফল পাওয়া যায়:
১. শুদ্ধতা: সকালে স্নান সেরে পরিষ্কার সাদা বা হালকা রঙের পোশাক পরে পুজোর আসনে বসুন।
২. স্থাপনা: মহাদেব বা শিবলিঙ্গের সামনে একটি ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান।
৩. আসন: উত্তর বা পূর্ব দিকে মুখ করে বসা সবচেয়ে শুভ।
৪. একাগ্রতা: তাড়াহুড়ো না করে প্রতিটি পংক্তির অর্থ বুঝে স্পষ্ট উচ্চারণে পাঠ করুন।
৫. জলাভিষেক: সম্ভব হলে শিবলিঙ্গে জল বা দুধ অর্পণের সময় অথবা অর্পণের পর শান্ত হয়ে বসে পাঠ করুন।
পাঠের উপযুক্ত সময়
মহাশিবরাত্রির চার প্রহরের পুজোর যেকোনো সময়ে এটি পাঠ করা যায়। তবে 'নিশীথ কাল' অর্থাৎ মধ্যরাতের পুজোর সময় শিব চালিশা পাঠের মাহাত্ম্য সবচেয়ে বেশি। যারা উপবাস পালন করছেন, তারা সন্ধ্যায় আরতির সময় এটি পাঠ করলে বিশেষ পুণ্য লাভ করবেন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


