Aroop Biswas Case Latest Update: অরূপ বিশ্বাস তদন্তে সহযোগিতা করছে! হাইকোর্টে বলল রাজ্য, আপাতত বহাল থাকল রক্ষাকবচ
Aroop Biswas Case Latest Update: গত ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির সঙ্গে ছিলেন অরূপ বিশ্বাস। অনেকে অভিযোগ করেন, মেসির গায়ে কার্যত উঠে যাচ্ছিলেন তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী। শতদ্রু দত্ত তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
Aroop Biswas Case Latest Update: লিওনেল মেসি-কাণ্ডের তদন্তে অরূপ বিশ্বাস সহায়তা করছেন বলে জানাল রাজ্য সরকার। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীকে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ যে রক্ষাকবচ দিয়েছিল, তা খারিজের আর্জি জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেন শতদ্রু দত্ত। সেই মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তে সহযোগিতা করছেন অরূপ। পুলিশের কাছে হাজিরাও দিচ্ছেন (প্রাথমিকভাবে কয়েকটি সমন এড়িয়ে গিয়েছিলেন) সেই প্রেক্ষিতে আপাতত সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে কোনওরকম হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে বহাল থাকল অরূপের রক্ষাকবচ। আগামী ২ জুলাই ফের সেই মামলার শুনানি হবে।

অরূপের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে, দাবি শতদ্রুর
হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ অবশ্য অরূপকে আগামী ১৭ অগস্ট পর্যন্ত রক্ষাকবচ দিয়েছে। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই শতদ্রু ডিভিশন বেঞ্চে যান। কলকাতা-সহ ভারতে মেসি 'GOAT' ট্যুরের আয়োজক শতদ্রুর আইনজীবী সওয়াল করেন, অরূপের বিরুদ্ধে একাধিক বড় অভিযোগ আছে। কিন্তু পুলিশ তেমন কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে সওয়াল করেন শতদ্রুর আইনজীবী।
মামলা খারিজের আর্জি অরূপের
পালটা ওই মামলার ভিত্তি নিয়েই অরূপের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন। তিনি সওয়াল করেন যে ইতিমধ্যে ওই মামলায় নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সেই পরিস্থিতিতে অভিযোগকারী তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু বলতে পারেন না। সেই যুক্তিতে শতদ্রুর দায়ের করা মামলা খারিজের আর্জি জানান অরূপের আইনজীবী।
মমতার হাত ছেড়ে বিদ্রোহী শিবিরে অরূপ
তবে শতদ্রুর মামলা খারিজ করা হয়নি। আবার শতদ্রুর আবেদনও আপাতত গৃহীত হয়নি। আজ মামলার শুনানি মুলতুবি করে দেওয়া হয়েছে। ২ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। অর্থাৎ আপাতত দেড় সপ্তাহের মতো রক্ষাকবচ বহাল থাকল ক্রীড়ামন্ত্রীর। যাঁর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে থানার দ্বারস্থ হন শতদ্রু। প্রাথমিকভাবে বিধাননগর দক্ষিণ থানার সমনেও সাড়া দেননি অরূপ। পরের দু'বার অবশ্য থানায় হাজিরা দেন।
সেইসবের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েছেন অরূপ। সোমবার নিউ টাউনে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পরে সহ-সভাপতি হিসেবে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর নামও ঘোষণা করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


