Central Forces deployed at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ‘ফাইল নষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে’, উঠল অভিযোগ
Central Forces deployed at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ‘ফাইল নষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে’, উঠল বিস্ফোরক অভিযোগ। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে সেই অভিযোগ করা হয়েছে। ওই মঞ্চের দাবি, সেই সংক্রান্ত প্রমাণও হাতে এসেছে।
নবান্নে ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি সরকারের গঠন পথ প্রশস্ত হওয়ার পরে রাজ্যের সচিবালয় নবান্নের সামনে নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে। একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষা, রেশন থেকে পুরনিয়োগ - বিভিন্ন দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেইসব তদন্ত সংক্রান্ত সুরক্ষিত রাখতেই নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে ওই মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

ফাইল নষ্টের চেষ্টা চলছে, উঠল বিস্ফোরক অভিযোগ
বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য সুবীর সাহা দাবি করেছেন, নবান্ন, বিভিন্ন সচিবালয়, ডিরেক্টরেটের বিভিন্ন ফাইল সরানো হচ্ছে বলে তাঁদের কাছে খবর এসেছে। বিভিন্ন ডিজিটাল ফাইল মুছে ফেলা হচ্ছে। নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে ফাইল। আর সেই কাজটা একশ্রেণির রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য।
আপাতত বিজেপি ও তৃণমূল কতগুলি আসন পেয়েছে?
এমনিতে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি চারটি আসনে জিতেছে। এগিয়ে আছে ১৯৩টি আসনে। আবার তৃণমূল একটি আসনে জিতে গিয়েছে। এগিয়ে আছে ৯০টি আসনে। কংগ্রেস এবং হুমায়ুন কবীরের দল দুটি করে আসনে এগিয়ে আছে। সিপিআইএম এবং আইএসএফ এগিয়ে আছে একটি আসনে।
তৃণমূল সুপ্রিমোর বার্তা
যদিও দুপুরে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বার্তা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে সূর্যাস্তের পরে জয় আসবে। তিনি বলেন, ‘প্রথম ২-৩ রাউন্ডে আমি কাল থেকেই বলছি ওদেরগুলো (বিজেপি) আগে দেখাবে। আমাদেরগুলো পরে দেখাবে। এটা দেখে ভয় পেয়ে বা হতাশ হয়ে কেন্দ্র ছেড়ে চলে আসবেন না।’
সেইসঙ্গে ত-ণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘আমি আমাদের সব কাউন্টিং এজেন্টদের, আমাদের সমস্ত পার্টির কর্মীদের বলব, অত মন খারাপ করার কারণ নেই। আমি বলেছিলাম, সূর্যাস্তের পরে আপনারা জিতবেন। তিন-চার রাউন্ড কাউন্ট হলেও এটা ১৪-১৮ রাউন্ড কাউন্ট হয়। তখন আপনারা জিতবেন। ওয়েট অ্যান্ড সি, ওয়াচ। আমরা সবাই আপনাদের সঙ্গে আছি। আপনারা কেউ ভয় পাবেন না। নিশ্চিতে থাকুন। আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


